Lahore | লাহোরে হিন্দু-শিখ আমলের নাম ফেরানোর পথে বাধা কট্টরপন্থীরা! পিছু হঠল পাক প্রশাসন

Lahore | লাহোরে হিন্দু-শিখ আমলের নাম ফেরানোর পথে বাধা কট্টরপন্থীরা! পিছু হঠল পাক প্রশাসন

শিক্ষা
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ অনলাইন ডেস্ক: পাকিস্তানের পঞ্জাব প্রদেশের রাজধানী লাহোরের (Lahore) বহু পুরোনো এবং ঐতিহাসিক নাম ফিরিয়ে আনার সরকারি উদ্যোগ কার্যত ভেস্তে গেল (Renaming undertaking)। কট্টরপন্থী গোষ্ঠী এবং সোশ্যাল মিডিয়া ভ্লগারদের প্রবল আপত্তির মুখে পড়ে লাহোরের রাস্তা ও এলাকার নাম পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত থেকে আপাতত পিছু হঠলেন পঞ্জাব প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী মরিয়ম নওয়াজ (Maryam Nawaz)।

লাহোরের স্থাপত্য ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণের লক্ষ্যে পঞ্জাব সরকার লাহোর হেরিটেজ এরিয়া রিভাইভাল (LHAR) প্রকল্পটির উদ্যোগ নিয়েছিল। গত মার্চ মাসে পাকিস্তানের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফ ও পঞ্জাব প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী মরিয়ম নওয়াজের উপস্থিতিতে একটি বৈঠকে ঠিক হয়েছিল, দেশভাগের আগে যেসব এলাকা বা রাস্তার যে নাম ছিল, সেগুলি পুনরুদ্ধার করা হবে। সেই অনুযায়ী, কৃষ্ণনগর (যা বর্তমানে ইসলামপুরা নামে পরিচিত), লক্ষ্মী চক (বর্তমানে মৌলানা জাফর আলি খান চক), ধরমপুরা (বর্তমানে মুস্তফাবাদ) এবং জৈন মন্দির রোডের মতো ঐতিহাসিক নামগুলো ফিরিয়ে আনার প্রস্তাব মন্ত্রীসভায় অনুমোদিত হয়।

এই খবর প্রকাশ্যে আসতেই সোশ্যাল মিডিয়ায় শুরু হয় তীব্র বিতর্ক। কট্টরপন্থী গোষ্ঠী ও একাধিক ভ্লগার অভিযোগ তোলে যে, সরকার পরিকল্পিতভাবে পাকিস্তানের ইসলামিক পরিচিতি মুছে দিয়ে ‘হিন্দু ও শিখ’ আমলের নাম (Hindu and Sikh landmarks) ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছে। এই ধর্মীয় মেরুকরণের জেরে সৃষ্ট চাপের মুখে পড়ে প্রশাসনিক কর্তারা পিছু হঠতে বাধ্য হন।

লাহোরের ডেপুটি কমিশনার মহম্মদ আলি ইজাজ জানিয়েছেন, এ ধরনের কোনও সিদ্ধান্ত এখনও চূড়ান্ত হয়নি। ইতিহাসবিদ ইয়াকুব খান বঙ্গশের মতে, লাহোরের বহু মানুষ আজও শহরের এই বহুসাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের প্রতি গর্বিত। যদিও ইতিহাসবিদ ও নগর পরিকল্পনাবিদদের একাংশ এই নাম পুনরুদ্ধারের পক্ষে সমর্থন জানালেও, বর্তমানে কট্টরপন্থীদের আস্ফালনে সেই সাংস্কৃতিক সংরক্ষণ থমকে গেল।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *