স্বভাবে ছিলেন অত্যন্ত উগ্র। মহিলাদের সঙ্গে করমর্দনেও আপত্তি ছিল তাঁর। ইজরায়েলগামী বিমানের ককপিটে হামলাকারী ওমানি সহ-পাইলট সম্পর্কে এমনই তথ্য জানা যাচ্ছে। প্রশ্ন উঠছে, তাহলে কি শিক্ষার আলো ভেদ করে তাঁর মনে প্রবেশ করে গিয়েছিল জেহাদের ‘বিষ’। ওয়াকিবহাল মহলের একাংশের দাবি, দীর্ঘদিন ধরেই তাঁর মগজধোলাই করা হয়েছিল, যার ফলস্বরূপ বিমান ধ্বংস করতে পিছপা হননি ওমানি পাইলট। যদিও আসল কারণ এখনও জানা যায়নি।
বুধবার সকালে ফ্লাইদুবাইয়ের এফজেড ১০৭৩ বিমানটি দুবাই থেকে তেল আভিভের উদ্দেশে রওনা দিয়েছিল। চালকের আসনে ছিলেন ক্যাপ্টেন স্মিত মচ্ছার। অভিযোগ, ককপিটের ভিতর তাঁর উপর আচমকা হামলা চালান সহ-পাইলট। ছুরি দিয়ে এলোপাথাড়ি কোপানো হয় তাঁকে। প্রায় দু’মিনিটে ১৭ হাজার ৪০০ ফুট নিচে নেমে আসে বিমানটি। তবে শেষ পর্যন্ত বিমানে থাকা অন্যান্য পাইলট এবং বিমানকর্মীরা পরিস্থিতি সামাল দেন। প্রত্যক্ষদর্শীদের বয়ান অনুযায়ী, রক্তে ভেসে যাচ্ছিল ককপিট। গুরুতর আহত অবস্থায় পড়েছিলেন ক্যাপ্টেন স্মিত মচ্ছার। যে কোনও মুহূর্তে বড়সড় কোনও দুর্ঘটনা ঘটতে পারত। কিন্তু উড়ানটি নিরাপদে সৌদির উত্তর-পশ্চিমে, তাবুক বিমানবন্দরে জরুরি অবতরণ করানো হয়।
ইজরায়েলি সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ফ্লাইদুবাইতে তিনি এক বছরেরও কম সময় ধরে কর্মরত ছিলেন। তবে তাঁর পরিচয় এখনও জানা যায়নি। এর আগে কোথায় তিনি কর্মরত ছিলেন, তা-ও জানা যায়নি।
[প্রিয় পাঠক, খবরটি সদ্য আমাদের কাছে এসেছে। যেটুকু তথ্য এর মধ্যে পাওয়া গিয়েছে, সেটুকুই আপনাদের জানিয়ে দেওয়া হল। গুরুত্বপূর্ণ এই খবরটি খুঁটিনাটি-সহ কিছুক্ষণের মধ্যেই আমরা সবিস্তারে জানাব। অনুগ্রহ করে একটু পরে আর-একবার এই পেজটি রিফ্রেশ করুন, যাতে পূর্ণাঙ্গ খবর ও খবরটির অন্যান্য খুঁটিনাটি আপনারা জেনে নিতে পারেন। এই সময়টুকু আমরা আপনাদের কাছে চেয়ে নিলাম। পাশাপাশি উল্লেখ থাক, সম্প্রতি নেটমাধ্যমে নানারকম ভুয়ো খবরের ছড়াছড়ি। সে বিষয়ে আমরা যথাসম্ভব সতর্ক থেকেই খবর পরিবেশন করি। যে-কোনো খবরের সত্যাসত্য যাচাই করে তবেই আপনাদের কাছে তা পৌঁছে দেওয়া আমাদের কর্তব্য। আপনারা আমাদের সঙ্গে থাকুন, ঠিক ও তথ্যনিষ্ঠ খবর তুলে ধরার ক্ষেত্রে আপনাদের সহায়তা আন্তরিকভাবে কাম্য।]
সর্বশেষ খবর
