নয়ডার ‘ডিএলএফ মল অফ ইন্ডিয়া’। অন্যদিনের মতোই স্বাভাবিক ছন্দে চলছিল কেনাবেচা। আচমকাই শোরগোল। একটি দোকান থেকে ঘি ও রিফাইন্ড তেল চুরির সময় এক মহিলাকে ধরে ফেললেন নিরাপত্তারক্ষীরা! রীতিমতো হইচই পড়ে গেল মুহূর্তের মধ্যে। নেটপাড়ায় ভাইরাল সেই ভিডিও-ও। স্বাভাবিক ভাবেই প্রশ্ন উঠছে, সম্ভ্রান্ত ঘরের ওই মহিলা কেন নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস সরাতে যাবেন?
জানা যাচ্ছে, গত রবিবার সেক্টর ১৮-এ অবস্থিত ওই মলের ‘লে মার্চে’ বিপণিতে এসেছিলেন ওই মহিলা। কর্মীরা সিসিটিভি ক্যামেরায় দেখতে পান, ওই মহিলা ব্যাগের ভিতরে ঘিয়ের বয়াম ও রিফাইন্ড তেলের বোতল লুকিয়ে রেখেছেন। তিনি দোকান থেকে বেরতে যেতেই তাঁর পথ আগলান তাঁরা। অমনি ফোনের আড়ালে মুখ ঢাকেন অভিযুক্ত মহিলা। ভিড় জমে যায়। ভাইরাল ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, মহিলা তাঁর ফোন দিয়ে মুখ ঢেকে রেখেছেন। এবং দু’জন নিরাপত্তা রক্ষী তাঁকে মলের ভিতরে নিয়ে যাচ্ছেন।
আরও পড়ুন:
DLF Mall Noida: Mall staff caught a person and a lady red-handed whereas stealing https://t.co/BfXPHJuXmK
— Ramesh Speaks (@rameshofficial0) October 5, 2026
ভিডিওতে করা দাবি অনুযায়ী, ওই মহিলা একমাসেরও বেশি সময় ধরে দোকানটিতে যাতায়াত করছিলেন। এবং এর আগেও একাধিকবার সেখান থেকে জিনিসপত্র চুরির সন্দেহ ঘনিয়েছিল তাঁকে ঘিরে। দোকানের এক কর্মী জানান, সিসিটিভি ফুটেজের সহায়তায় তাঁরা এই চুরির ঘটনাগুলো আগেই শনাক্ত করেছিলেন। অভিযোগ, এখনও পর্যন্ত কয়েক হাজার টাকার ঘি এবং অন্যান্য মুদিপণ্য সরিয়েছেন তিনি!
তবে, শেষপর্যন্ত ওই মহিলা এদিনের ‘চুরি’ করা পণ্যগুলির মূল্য চুকিয়ে দিলে বিষয়টি মিটে যায়। শেষপর্যন্ত উভয় পক্ষ একটি সমঝোতায় পৌঁছালে অভিযুক্ত মহিলা মল থেকে চলেও যান। আগের ‘চুরি’র ঘটনায় তাঁর বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনও অভিযোগ আনা হয়েছিল কিনা কিংবা তাঁর বিরুদ্ধে অন্য কোনও পদক্ষেপ করা হয়েছিল কিনা, তা অস্পষ্টই রয়ে গিয়েছে। কিন্তু কেন সম্ভ্রান্ত ঘরের এক মহিলা এমন কাজ করতে যাবেন? মনে করা হচ্ছে, যদি অভিযোগ সত্যি হয়, তাহলে সম্ভবতচ ওই মহিলা ক্লেপ্টোম্যানিয়াক। এ এমন এক একটি মানসিক সমস্যা, যার কারণে আক্রান্ত কোনও প্রয়োজন বা আর্থিক লাভ ছাড়াই বিনা কারণে জিনিসপত্র চুরির অপ্রতিরোধ্য তাগিদ অনুভব করেন।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
