আসন্ন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সম্প্রতি বিক্ষোভে ফেটে পড়েছিল অধিকৃত কাশ্মীর। অসংখ্য প্রতিবাদীদের নির্বিচারে গুলি করে হত্যার অভিযোগ উঠেছিল পাক সেনার বিরুদ্ধে। কিন্তু বিক্ষোভের সেই আগুন এখনও নেভেনি। তাই এবার প্রতিবাদ দমাতে অত্যাচারের মাত্রা আরও বাড়ানোর অভিযোগ উঠেছে পাক সেনার বিরুদ্ধে। জানা গিয়েছে, অধিকৃত কাশ্মীরে দেখা দিয়েছে খাদ্য সংকট। শুধু তাই নয়, সেখানে ওষুধ সরবরাহ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ। এর জেরে অধিকৃত কাশ্মীরজুড়ে হাহাকার পড়ে গিয়েছে।
একাধিক সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, লাগাতার বিক্ষোভ এবং ধর্মঘটে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জনজীবন। পাশাপাশি, অধিকাংশ জায়গাতেই বিচ্ছিন্ন ইন্টারনেট পরিষেবা। শুধু তাই নয়, নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী কিনতে বাসিন্দাদের ছুটতে হচ্ছে পাকিস্তানের বিভিন্ন শহরে। আটা, চাল, চিনি, ডাল, পেট্রোল কোনও কিছুই মিলছে না অধিকৃত কাশ্মীরে। এমনকী সেখানে যাতে ওষুধও না পৌঁছয় তার জন্য বাধা সৃষ্টি করা হচ্ছে। মহম্মদ মাসকিন নামে মুজাফ্ফরাবাদের এক বাসিন্দা বলেন, “সমস্ত জায়গায় ওষুধের খোঁজ করেছি। কিন্তু কোথাও পাইনি। বড় দোকানগুলিও বন্ধ।”
আরও পড়ুন:
আগামী ২৭ জুলাই অধিকৃত কাশ্মীরে নির্বাচন করাচ্ছে পাক সরকার। সেই নির্বাচনের ফল সরকারের বিরুদ্ধে যেতে পারে এই আশঙ্কায় সন্ত্রাসী সংগঠনগুলিকে সঙ্গে নিয়ে মাঠে নেমে পড়েছে সেনা। নিষিদ্ধ করা হয়েছে নাগরিক সমাজের জোট ‘জয়েন্ট আওয়ামি অ্যাকশন কমিটি’ (জেএএসি)-কে। এরই প্রতিবাদে সম্প্রতি ধর্মঘটের ডাক দেয় জেএসি। ছিল বেশকিছু বিক্ষোভ কর্মসূচিও। বিক্ষোভ শুরু হতেই নিরস্ত্র জনতাকে লক্ষ্য করে এলোপাথাড়ি গুলি চালায় সেনা। এই হামলাতেই এক চিকিৎসক, মহিলা-সহ অসংখ্য মানুষের মৃত্যু হয়েছে। তারপর থেকেই সেখানে চলছে দফায় দফায় বিক্ষোভ।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর

