ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে জেতাতে সাড়ে ৭০০টি নকল আঙুল কিনেছেন ৭৪ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর দেবলিনা বিশ্বাস, রাজ্যে দ্বিতীয় দফা ভোটের আগের দিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এই অভিযোগ করলেন বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী। এই আঙুল ব্যবহার করে ভোটে কারচুপি করা হবে বলে দাবি করেছেন তিনি। যদিও এই অভিযোগকে ‘অবাস্তব’ বলে দাবি করেছেন তৃণমূলের রাজ্য সহ সভাপতি জয়প্রকাশ মজুমদার। তাঁর দাবি, শুভেন্দুর মাথা খারাপ হয়ে গিয়েছে।
এই বিষয়ে আরও খবর
আগামীকাল রাজ্যে দ্বিতীয় অর্থাৎ শেষ দফার বিধানসভা নির্বাচন রয়েছে। এদিন ৭ জেলার ১৪২টি আসনে ভোটগ্রহণ হবে। ভোটের আগের দিনই তৃণমূলের বিরুদ্ধে কারচুপির চেষ্টার অভিযোগ তুলে সরব হয়েছেন শুভেন্দু। তাঁর দাবি, ভবানীপুরে কেন্দ্রে ভোট চুরি করতে সাড়ে ৭০০টি নকল আঙুল কিনেছেন তৃণমূল কাউন্সিলর দেবলিনা বিশ্বাস। এই আঙুল পরে ভোট কেন্দ্রে প্রবেশ করে ভোট দেবেন তৃণমূলের লোকজন। ওই নকল আঙুলে কালি লাগাবেন। তারপর বুথ থেকে বেরিয়ে কালি লাগানো নকল আঙুল খুলে ফেলবেন। এভাবেই কারচুপি করার উদ্দেশে আঙুলগুলি কেনা হয়েছে। শুভেন্দুর কথায়, “ধরা পড়ে গিয়েছে, আর কিছু করতে পারবে না।”
পাশাপাশি শুভেন্দু আরও দাবি করেন, নির্বাচনের আগে বিএলও-রা যে স্লিপ বিলি করেন সেগুলির মধ্যে ভবানীপুর কেন্দ্রে ৩৮১০টি স্লিপ ফেরত এসেছে। বুথে বুথে এই সকল ভোটারদের চিহ্নিত করা হয়েছে। শুভেন্দুর কথায়, “কোনওভাবে চুরি করতে দেব না। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরাজয় এখন শুধু সময়ের অপেক্ষা।”
শুভেন্দুর নকল আঙুল সংক্রান্ত অভিযোগ প্রসঙ্গে তৃণমূলের রাজ্য সহ সভাপতি জয়প্রকাশ মজুমদার বলেন, “শোচনীয় পরাজয়ের আশঙ্কায় শুভেন্দু অধিকারীর মাথা খারাপ হয়ে গিয়েছে। এরকম একটা অবাস্তব অভিযোগ এত পুরনো একজন রাজনীতিবিদ করলেন কী করে? নির্বাচন কমিশন তো আগেই জানিয়ে দিয়েছে, ভোট দেওয়ার আগে সকলের পরিচয়পত্র দেখা হবে। বুথের ভিতরে তো বিজেপির পোলিং এজেন্টও থাকবেন। তর্কের খাতিরে ধরে নিলাম নকল আঙুল পরে কেউ ভোট কারচুপি করতে এল। এজেন্টরা তো দেখবেন কারা ভোট দিতে আসছেন। এই অভিযোগ অবাস্তব শুধু নয়, অদ্ভুতও। শুভেন্দুর মাথার কিছু গন্ডগোল হয়েছে। ভোট হয়ে গেলে তিনি যেন মানসিক চিকিৎসা করান।”
এই বিষয়ে আরও খবর
সর্বশেষ খবর
