ভেনেজুয়েলার ৬৫ বিলিয়ন ব্যারেল তেল হাতাল আমেরিকা! ‘ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ডিল’, বললেন ট্রাম্প

ইন্ডিয়া খবর/INDIA
Spread the love


নিকোলাস মাদুরোর গ্রেপ্তারির পর ভেনেজুয়েলার নিয়ন্ত্রণ এখন আমেরিকার হাতে। তারই সুযোগ নিয়ে ভেনেজুয়েলার সঙ্গে এক নয়া চুক্তি করল ট্রাম্পের দেশ। যার মাধ্যমে আমেরিকা ভেনেজুয়েলার আনুমানিক ৬৫ বিলিয়ন ব্যারেলেরও বেশি তেলের মজুদের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে। উদাহরণ স্বরূপ, ভারত প্রতি বছর বিদেশ থেকে ১.৬ বিলিয়ন ব্যারেল অপরিশোধিত তেল আমদানি করে। অর্থাৎ ৬৫ বিলিয়ন ব্যারেল ভারতের ৪০ বছরের তেল আমদানির সমতুল্য।

মার্কিন বিদেশ দপ্তর সূত্রে জানা যাচ্ছে, চুক্তি অনুযায়ী গোটা প্রকল্প এখন থেকে পরিচালিত হবে ভেনেজুয়েলায় কর্মরত এক বেসরকারি সংস্থার সহযোগিতায়। এই অংশীদারিত্ব থেকে উৎপাদিত তেলের ৫৫ শতাংশ পাবে আমেরিকা। যদিও সেই সংস্থার নাম এখনও প্রকাশ করা হয়নি। ভেনেজুয়েলার দখল ও চুক্তি সম্পন্ন হওয়ার পর রীতিমতো উচ্ছ্বসিত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সোশাল মিডিয়ায় তিনি লেখেন, ‘ভেনেজুয়েলার সঙ্গে বিশ্বের বৃহত্তম চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে। ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট ডেলসি রড্রিগেজও এটিকে ‘ঐতিহাসিক চুক্তি’ আখ্যা দিয়েছেন।

নিকোলাস মাদুরোর গ্রেপ্তারির পর ভেনেজুয়েলার নিয়ন্ত্রণ এখন আমেরিকার হাতে। তারই সুযোগ নিয়ে ভেনেজুয়েলার সঙ্গে এক নয়া চুক্তি করল ট্রাম্পের দেশ।

উল্লেখ্য, বর্তমানে ভেনিজুয়েলার কাছে বিশ্বের বৃহত্তম তেলের মজুদ রয়েছে। যার পরিমাণ ৩০০ বিলিয়ন ব্যারেলেরও বেশি। ট্রাম্প যে ৬৫ বিলিয়ন ব্যারেল তেলের ওপর মার্কিন নিয়ন্ত্রণ আনার কথা বলছেন, তা ভেনিজুয়েলার মোট মজুদের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ। তবে ভেনিজুয়েলার বিশাল তেল ভান্ডার থাকলেও সেখানে উৎপাদন অত্যন্ত কম। অর্থনৈতিক সংকট, বিনিয়োগের অভাব এবং মার্কিন নিষেধাজ্ঞার কারণে দেশটির তেল শিল্প দীর্ঘদিন ধরে ধুঁকছে। এই চুক্তির জেরে ভেনেজুয়েলার তেল উৎপাদনে জোয়ার আসবে ঠিকই, তবে তার একটি বড় অংশ চলে যাবে আমেরিকায়। যদিও চুক্তির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি এখনও অস্পষ্ট। আমেরিকা ভেনেজুয়েলার ৬৫ বিলিয়ন ব্যারেল তেলের মালিকানা পাবে, নাকি কেবল এর উৎপানের একটি বৃহত্তর অংশ পাবে, তা এখনও স্পষ্ট নয়।

এদিকে প্রেসিডেন্ট রড্রিগেজ জানান, ‘চুক্তির মাধ্যমে ভেনেজুয়েলা তার ১৭টি তেলের খনি পুনরুদ্ধার করবে। যেখানে আনুমানিক ১০০ বিলিয়ন ডলারের বেশি বিনিয়োগ হবে। এই পদক্ষেপে ভেনেজুয়েলা ২০৯ বিলিয়ন ডলার কর আদায় করতে পারবে।’ প্রেসিডেন্টের মতে, এই তেলের ভাণ্ডার দেশের উন্নয়নে ব্যবহার করব আমরা।’ তবে কোন সংস্থার মাধ্যমে এই তেল উৎপাদিত হবে তা এখনও স্পষ্ট না হলেও অনুমান করা হচ্ছে, এর নেপথ্যে থাকবে মার্কিন সংস্থাই।

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *