ভারতের ভর্ৎসনাতেও হয়নি কাজ! ফের রাষ্ট্রসংঘে কাশ্মীর ইস্যু উত্থাপন ‘নির্লজ্জ’ এর্দোগানের

সিনেমা/বিনোদন/থিয়েটার
Spread the love


২০২০ সালে রাষ্ট্রসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে কাশ্মীর ইস্যু উত্থাপন করে ভারতের ভর্ৎসনার মুখে পড়েছিল তুরস্ক। কিন্তু ফের একই বক্তব্য রাখতে দেখা গেল তাদের। যা বুঝিয়ে দিল আগের ‘ভুল’ থেকে কোনও শিক্ষাই নেননি তুরস্কের প্রেসিডেন্ট তায়িপ এর্দোগান।

মঙ্গলবার তাঁকে বলতে শোনা গিয়েছে, ”দক্ষিণ এশিয়ায় কাশ্মীর ইস্যু-সহ সমস্ত গলদ নিয়ে আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করাটা গুরুত্বপূর্ণ।” পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের উপস্থিতিতেই তিনি এই বক্তব্য রাখেন। ভারতের ধারাবাহিক আপত্তি সত্ত্বেও, সাম্প্রতিক বছরগুলিতে কাশ্মীর প্রসঙ্গ উত্থাপনের জন্য এর্দোগান বারবার রাষ্ট্রসংঘের সাধারণ পরিষদের মঞ্চকে ব্যবহার করেছেন। এদিনও তার অন্যথা হল না। বলে রাখা ভালো, কাশ্মীর ছাড়াও, নিজের ভাষণে এর্দোগান গাজা ইস্যুতে জোরালো আন্তর্জাতিক পদক্ষেপ গ্রহণ, প্যালেস্টাইনকে নতুন করে স্বীকৃতি প্রদান এবং রাষ্ট্রসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে সংস্কারের আহ্বান জানান।

আরও পড়ুন:

উল্লেখ্য ২০২০ সালে তুরস্ককে সপাট জবাব দিয়েছিল নয়াদিল্লি। রাষ্ট্রসংঘে ভারতের স্থায়ী প্রতিনিধি টিএম তিরুমূর্তি বলেছিলেন, ”ভারতের কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল জম্মু ও কাশ্মীর নিয়ে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট যে মন্তব্য করেছেন, সেটা ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে চূড়ান্ত হস্তক্ষেপ। যা কোনওভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। তুরস্কের উচিত অন্য দেশের সার্বভৌমত্বকে সম্মান করতে শেখা। পাশাপাশি নিজেদের বিদেশ নীতি নিয়েও গভীর পর্যালোচনা করা।” এহেন ভর্ৎসনার পরও তুরস্ক যেভাবে মঙ্গলবার একই বিষয় উত্থাপন করল তাতে বিস্মিত ওয়াকিবহাল মহল।

উল্লেখ্য, পাকিস্তান ও তুরস্কের সম্পর্ক ঐতিহাসিক এবং অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ। পাকিস্তান রাষ্ট্র গঠিত হওয়ার পরই তুরস্ক তাদের স্বীকৃতি দেয়। সাহায্য করে পাকিস্তানকে রাষ্ট্রসংঘের সদস্যপদ পেতে। সেই বন্ধুত্ব এখনও অটুট। ভারত যেখানে পাকিস্তানকে বারবারই বলেছে, কাশ্মীর ইস্যু নিয়ে রাষ্ট্রসংঘে তারা কথা বলবে না। কেননা তা দিল্লির অভ্যন্তরীন বিষয়। তবু পাকিস্তান ব্যর্থ চেষ্টা করেই গিয়েছে। এবার বন্ধুর পাশে দাঁড়াল তুরস্কও। বুঝিয়ে দিল, যাবতীয় ভর্ৎসনার পরও তারা ‘সন্ত্রাসবন্ধু’ পাকিস্তানের পাশেই থাকছে।

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *