পুজোর আগেই সস্তা হবে চিনি ও পেঁয়াজের দাম! কত টাকায় মিলবে? বড় বার্তা মন্ত্রী দিলীপের

স্বাস্থ্য/HEALTH
Spread the love


পুজোর আগেই চিনি ও পেঁয়াজের দাম নিয়ন্ত্রণে আনার ঘোষণা করলেন রাজ্যের পঞ্চায়েত, গ্রামোন্নয়ন ও কৃষি বিপণন মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। পাশাপাশি শহরের রেগুলেটেড মার্কেট-সহ মহকুমা এলাকার আরও দুটো বাজার পরিদর্শন করেন তিনি। তবে উত্তর-পূর্ব ভারতের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ রেগুলেটেড মার্কেটের পরিকাঠামো উন্নয়নে জোর দেওয়া হয়েছে।

মন্ত্রী জানান, “উৎসবের মরসুম অর্থাৎ পুজোর আগেই বাজারে ৩৫ টাকা কেজি দরে খুচরো পেঁয়াজ বিক্রির ব্যবস্থা করা হচ্ছে। নাসিক থেকে নাফেডের মাধ্যমে পেঁয়াজ এনে ইতিমধ্যেই কিছু বিক্রি করা হলেও এবার পুরো বাজার জুড়েই ব্যবসায়ী ও প্রশাসনের যৌথ উদ্যোগে এই দামে পেঁয়াজ মিলবে।”

আরও পড়ুন:

মঙ্গলবার শিলিগুড়ির এই ঐতিহ্যবাহী বাজারে এক গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক বৈঠক সারেন তিনি। বৈঠকে কৃষি বিপণন দপ্তরের সচিব অভিনব চন্দ্র, দার্জিলিংয়ের জেলাশাসক হরিশঙ্কর পানিক্কর, মহকুমাশাসক তথা রেগুলেটেড মার্কেটের সচিব বিকাশ রুহেলা এবং স্থানীয় পাইকারি ব্যবসায়ীরা উপস্থিত ছিলেন। প্রতিদিন এই বাজার থেকে প্রায় ২০০ টিরও বেশি ট্রাকে শাক-সবজি, ফল এবং মাছের কেনাবেচা চলে। তবে নিকাশি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় সামান্য বৃষ্টিতেই জল জমে যাওয়ার কারণে ব্যবসায়ী ও সাধারণ ক্রেতাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হয়। এই প্রসঙ্গে মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ বলেন, “রাজ্যে ৫০টি বাজারের সংস্কারের কাজ করা হবে। তার মধ্যে শিলিগুড়ির রেগুলেটেড মার্কেটও থাকবে। বাজারের সমস্ত অভ্যন্তরীণ নর্দমা সংস্কার এবং অবৈধ দখল উচ্ছেদ করে নিকাশি ব্যবস্থা সচল করা হবে। এছাড়া রবিবারে রাস্তায় বসা সাধারণ চাষিদের বাজারের ভেতরে সুনির্দিষ্ট জায়গা করে দেওয়া, সোলার প্যানেল বসিয়ে আলো ও বিদ্যুতের সুব্যবস্থা করা এবং একটি পৃথক স্বাস্থ্যকেন্দ্র তৈরির কাজ ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে।”

বাজারের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও পরিকাঠামো উন্নয়নে সলিড ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট প্রযুক্তির ব্যবহারের উপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে পুরনিগমকে টাকা দিয়ে বাজার থেকে বর্জ্য অপসারণ করতে হয়। কিন্তু নতুন পরিকল্পনায় বাজারের ভেতরেই কাঁচা জৈব বর্জ্য থেকে জৈব সার তৈরির প্রসেসিং সেন্টার এবং অজৈব বর্জ্য যেমন থার্মোকল বা প্লাস্টিক প্রক্রিয়াকরণের আলাদা প্লান্ট গড়ে তোলা হবে। এতে ব্যবসায়ীদের বাড়তি খরচের বোঝা কমবে। পাশাপাশি দূর-দূরান্ত থেকে আসা ট্রাকচালক ও খালাসিদের বিশ্রামের জন্য বহুতল ভবন নির্মাণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। পাহাড়ের স্থানীয় কমলালেবু, আনারস কিংবা অ্যাভোকাডোর মতো পচনশীল ফল এবং দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলি থেকে আসা পেঁয়াজ বা সবজি দুই-তিন মাস সুরক্ষিত রাখতে মাল্টিপারপাস কোল্ডস্টোরেজ করা হবে। একই সঙ্গে বাজারের ভেতরের যানজট এড়াতে প্রবেশ ও বেরোনোর জন্য একমুখী যাতায়াত ব্যবস্থার কথা ভাবা হচ্ছে। তবে পরিকাঠামো উন্নয়নের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের স্বস্তির কথা মাথায় রেখে চিনি ও পেঁয়াজের দাম কমানোর বিষয়েও ইতিবাচক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

পাইকারি ব্যবসায়ীদের সঙ্গে দীর্ঘ আলোচনার পর মন্ত্রী জানান, “উৎসবের মরসুম অর্থাৎ পুজোর আগেই বাজারে ৩৫ টাকা কেজি দরে খুচরো পেঁয়াজ বিক্রির ব্যবস্থা করা হচ্ছে। নাসিক থেকে নাফেডের মাধ্যমে পেঁয়াজ এনে ইতিমধ্যেই কিছু বিক্রি করা হলেও এবার পুরো বাজার জুড়েই ব্যবসায়ী ও প্রশাসনের যৌথ উদ্যোগে এই দামে পেঁয়াজ মিলবে।” একইভাবে, পোস্তা সহ কলকাতার বড় ব্যবসায়ীদের সঙ্গে দফায় দফায় বৈঠকের পর চিনির বাজারদরও নিয়ন্ত্রণে এসেছে। চলতি মাসের মধ্যেই উত্তরবঙ্গ-সহ গোটা রাজ্যের খুচরো বাজারে চিনি ৫০ টাকা বা তার কম দামে পাওয়া যাবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়েছে। পাশাপাশি মঙ্গলবার নকশালবাড়িতে সিএডিসি ফার্ম পরিদর্শন করলেন পঞ্চায়েত মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। 

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *