বিতর্কের জের, হাইড্রেশন ব্রেক নিয়ে বিশ্বকাপের পরই ভাবনা শুরু ফিফার

বিতর্কের জের, হাইড্রেশন ব্রেক নিয়ে বিশ্বকাপের পরই ভাবনা শুরু ফিফার

ইন্ডিয়া খবর/INDIA
Spread the love


চল্লিশ দিনের ফুটবল যজ্ঞের সমাপ্তি। আবারও চার বছরের অপেক্ষা। তবে মার্কিন মুলুকে এবারের বিশ্বকাপের শুরু থেকেই বিতর্ক। যা নিয়ে সবচেয়ে বেশি হইচই চলছে, সেটা হল হাইড্রেশন ব্রেক। যা এর আগে কোনও বিশ্বকাপ যা হয়নি। প্রতি অর্ধের মাঝামাঝি সময়ে তিন মিনিটের হাইড্রেশন ব্রেক দেওয়া হয়েছে। যা নিয়ে অনেক টিমই সোচ্চার হয়। বলাবলি চলছে, বিজ্ঞাপনী মুনাফা আরও বাড়ানোর প্রয়াস এটা। ফিফার তরফে পরিষ্কার জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের গরমের কথা ভেবেই তিন মিনিটের ব্রেকের সিদ্ধান্ত হয়।

ফুটবল মহলেই এটা নিয়ে দ্বিমত তৈরি হয়েছে। ইংল্যান্ড কোচ টমাস টুখেল যেমন এই ব্রেকের প্রবল সমালোচনা করেছেন। আর্জেন্টিনা কোচ লিওনেল স্কালোনিও নতুন এই নিয়ম নিয়ে খুব একটা খুশি নয়। তাঁদের বক্তব্য, এই ব্রেক ম্যাচের রেজাল্টে বদল ঘটাতে পারে। এর বিপরীত মতও রয়েছে। স্পেন কোচ ফুয়েন্তের বক্তব্য যেমন, আমেরিকার গরমে এই ব্রেকের খুব দরকার ছিল। কারণ ফুটবলাররা আরও ‘রিচার্জ’ ফের মাঠে নামতে পারছে।

আরও পড়ুন:

ফিফার গ্লোবাল ডেভলপমেন্টের প্রধান আর্সেন ওয়েঙ্গারকে এটা নিয়ে প্রশ্ন করা হয়েছিল। ওয়েঙ্গার বলে দিয়েছেন, বিশ্বকাপের পর এটা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনায় বসবেন তাঁরা। ওয়েঙ্গারের বক্তব্য, “আমার মনে হয় না হাইড্রেশন ব্রেক কোনও ম্যাচের রেজাল্ট বদল দিতে পেরেছে। কিন্তু একটা কথা মাথায় রাখতে হবে। আমরা এখানে রয়েছি ফুটবলের জন্য। অনেকে হয়তো এই হাইড্রেশন ব্রেকের ব্যাপারটা পছন্দ করছেন না। সেটা নিয়ে বিশ্বকাপের পর আলোচনায় বসতে হবে।”

কেন এই হাইড্রেশন ব্রেকের ভাবনা এল, সেটারও পূর্ণ ব্যাখ্যা দিয়েছেন ওয়েঙ্গার। চার বছর আগে গরমের কথা মাথায় রেখেই কাতারে বিশ্বকাপের সময় বদল করা হয়েছিল। প্রথাগতভাবে জুন আর জুলাই মাসে বিশ্বকাপ হয়। কিন্তু ওই সময় কাতারে প্রবল গরম। সেই কথা মাথায় রেখেই ফিফা চার বছর আগে নভেম্বর আর ডিসেম্বরে বিশ্বকাপের আয়োজন করেছিল। এবারও যুক্তরাষ্ট্রে বেশ গরম। ওই গরমে যাতে ফুটবলাররা অসুস্থ হয়ে না পড়েন, ক্লান্ত না হয়ে পড়েন, তার জন্যই এই ব্রেকের সিদ্ধান্ত নেয় ফিফা। ওয়েঙ্গারের কথায়, “অনেক ম্যাচেই এই হাইড্রেশন ব্রেকের খুব প্রয়োজনীয়তা ছিল। মেডিক্যাল দিক থেকে দেখতে গেলে ওই গরমে হাইড্রেশন ব্রেকের দরকার। তবে আমেরিকার বেশ কিছু স্টেডিয়াম ঢাকা, অর্থাৎ ইন্ডোর স্টেডিয়াম। সেখানে এই ব্রেক নিয়ে অনেকেই খুশি নন। কিন্তু এটাও মাথায় রাখতে হবে এক-একটা ম্যাচের জন্য এক-একরকম নিয়ম কোনওভাবেই সম্ভব নয়। তাই আমরা সব ম্যাচেই হাইড্রেশন ব্রেক রাখার সিদ্ধান্ত নিই। তবে ভবিষ্যতে কী হবে, সেটা নিয়ে নিয়ে কোনও সিদ্ধান্ত হয়নি। বিশ্বকাপের পর পুরো ব্যাপারটা নিয়ে আবারও আলোচনা হবে।”

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *