ফের বিতর্কে সিএবি, স্বার্থের সংঘাতের ‘ফাঁসে’ বাংলার বোর্ড আম্পায়ার

ইন্ডিয়া খবর/INDIA
Spread the love


সিএবি অ্যাপেক্স কাউন্সিল সদস্য সুরজিৎ লাহিড়ীর পর এবার স্বার্থের সংঘাতের অভিযোগে জড়িয়ে পড়লেন বাংলার বিসিসিআই আম্পায়ার ইন্দ্রনীল চক্রবর্তী। তবে তাঁর বিরুদ্ধে সিএবি-র এথিক্স অফিসারের কাছে অভিযোগ জমা পড়েনি। পড়েছে, সরাসরি ভারতীয় বোর্ডের ওষুডসম্যান তথা সুপ্রিম কোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি অরুণ মিশ্রর কাছে। এবং আগামী ২৯ সেপ্টেম্বর ভার্চুয়ালি ইন্দ্রনীলের শুনানির দিন ধার্য করা হয়েছে।

কেন এ হেন স্বার্থের সংঘাতের অভিযোগ বাংলার আম্পায়ারের বিরুদ্ধে? ইন্দ্রনীলের বিরুদ্ধে স্বার্থের সংঘাতের অভিযোগ দায়ের করেছেন পুলক মুখোপাধ্যায় নামের এক ব্যক্তি। যিনি বোর্ডের ওষুডসম্যানের কাছে অভিযোগ করেন যে, ইন্দ্রনীল বিসিসিআই আম্পায়ার হওয়া সত্ত্বেও হুগলি জেলা ক্রীড়া সংস্থার সচিব পদে বসে রয়েছেন। যা পুলকের অভিযোগ অনুযায়ী, স্বার্থের সংঘাত। চলতি বছরের গত ১৭ ফেব্রুয়ারি ইন্দ্রনীলের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ করা হয়। যে অভিযোগ পাওয়ার পর নোটিশ পাঠানো হয়েছে তাঁকে। বোর্ড ওষুডসম্যান মারফত নির্দেশিকা দেওয়া হয়েছে, আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে উত্তর দিতে।

আরও পড়ুন:

বাংলার আম্পায়ার মহলের কেউ কেউ বলছিলেন, বিগত এক বছর ধরে হুগলি জেলা ক্রীড়া সংস্থার সচিব পদে রয়েছেন ইন্দ্রনীল। এ বছর বেঙ্গল প্রো লিগের বেশ কয়েকটা ম্যাচের পরিচালনা তিনি করেছেন। আবার স্থানীয় ক্রিকেটের ম্যাচেও আম্পায়ারিং করতে দেখা গিয়েছে তাঁকে। অনেকের মতে, এটা স্বার্থের সংঘাত। যদিও সেই অভিযোগ সম্পূর্ণ নস্যাৎ করে দিলেন বোর্ড আম্পায়ার ইন্দ্রনীল। যোগাযোগ করা হলে বললেন, “প্রথমত আমি সিএবির সদস্য নই। সিএবির কোনও পদে নেই। বার্ষিক সাধারণ সভাতেও আমি আসি না। গত এক বছর ধরে হুগলি জেলা ক্রীড়া সংস্থার সচিব পদে রয়েছি, এটা ঠিক। এবার বোর্ড ওষুডসম্যান যদি বলেন, আম্পায়ারিং বা জেলা ক্রীড়া সংস্থার সচিব পদ যে কোনও একটা ছাড়তে হবে, তখন ঠিক করব কোনটা ছাড়ব। বোর্ড যা বলবে, তাই করব।”

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *