‘খতরোঁ কে খিলাড়ি’র নতুন মরশুম নিয়ে সরগরম বিনোদুনিয়া। আর নয়া সিজনে ইতিমধ্যেই সাড়া ফেলে দিয়েছে এই অ্যাডভেঞ্চারাস রিয়ালিটি শো। ফি বছর সংশ্লিষ্ট শোয়ে তারকারা বিভিন্ন স্টান্ট দেখিয়ে দর্শকমহলের মনোরঞ্জন করেন। তবে এবার টেলিপর্দার ‘ছোটি বহু’ রুবিনা দিলাইক যা খেল দেখালেন, তাতে শোরগোল!
‘খতরোঁ কে খিলাড়ি’ মানেই নিত্যনতুন চমক! তারকাদের হাড়ভাঙা খাটুনি শুধু নয়, তাঁরা কতটা রোমাঞ্চপ্রেমী, সঞ্চালক রোহিত শেট্টি হাড়ে হাড়ে তার জড়িপ নেন। এবারও তার ব্যতিক্রম ঘটেনি। চলতিবারে শোয়ে মোট ১৩ জন প্রতিযোগী যোগ দিয়েছেন। যে তালিকায়, অভিকা গৌর, শগুন শর্মা, হর্ষ গুজরাল, রুহানিকা ধাওয়ান থেকে ঋত্বিক ধনজানি, বিশাল আদিত্য সিংহ, এমনকী অবিনাশ মিশ্রের মতো হিন্দি টেলিদুনিয়ার জনপ্রিয় মুখরা রয়েছেন। আর সেখানেই রুবিনা দিলাইকের ‘স্টান্টবাজি’ দেখে যেমন দর্শকমহলের চক্ষু চড়কগাছ, তেমনই বিতর্ক, সমালোচনার ঝড়। যার জেরে কাঠগড়ায় ‘খতরোঁ কে খিলাড়ি’ নির্মাতারাও। ঠিক কী ঘটেছে?
আরও পড়ুন:
“ভয় পাচ্ছি, আমার গা শিউরে উঠছে! এই যন্ত্রণা সহ্য করার জন্য আমাকে আমার সমস্ত শক্তি ও ধৈর্য কাজে লাগাতে হবে…।”
সংশ্লিষ্ট শোয়ের ভাইরাল এক ঝলকে ‘এলিমিনেশন টাস্ক’ করতে দেখা যায় রুবিনা দিলাইক, রুহানিকা ধাওয়ান, হর্ষ গুজরাল এবং বিশাল আদিত্য সিংকে। যে টাস্কের নিয়ম শুনলে গায়ে রীতিমতো কাঁটা দেবে! শোয়ের নিয়মানুযায়ী, ১০ মিনিট ধরে এই চার প্রতিযোগীর হাতের উপর সরাসরি গরম মোম পড়বে, যা তাদের সংগ্রহ করতে হবে। যে প্রতিযোগী সবথেকে বেশি সময় ধরে সবথেকে বেশি মোম সংগ্রহ করতে পারবেন, একমাত্র তিনিই শো থেকে ছাঁটাই হওয়ার নিয়ম থেকে রক্ষা পাবেন। রোহিত শেট্টির এহেন ঘোষণার পরই উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন চার প্রতিযোগী। রুহানিকা কাঁদতে শুরু করেন, জানান যে টাস্ক চলাকালীন যে কোনও সময়ে ছেড়ে দিতে পারেন। সহপ্রতিযোগীকে শান্ত করার চেষ্টা করে রুবিনা বলেন, “আমরা সকলেই ভয় পাচ্ছি, আমার গা শিউরে উঠছে! এই যন্ত্রণা সহ্য করার জন্য আমাকে আমার সমস্ত শক্তি ও ধৈর্য কাজে লাগাতে হবে।” এক চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানেই সকলে এই টাস্কে হাত দেন। আর এহেন দৃশ্য দেখেই শিউড়ে ওঠার জোগাড় নেটভুবনের। প্রশ্ন উঠেছে, প্রতিযোগীদের নিরাপত্তা নিয়ে। কেউ বা শোয়ের এহেন স্ট্র্যাটেজি নিয়েও সমালোচনা করেছেন।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
