প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে অশ্লীল ভাষা ‘আরশোলা’র! ‘এরা কেমন পড়ুয়া’, ফুঁসে উঠলেন কঙ্গনা

প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে অশ্লীল ভাষা ‘আরশোলা’র! ‘এরা কেমন পড়ুয়া’, ফুঁসে উঠলেন কঙ্গনা

বৈশিষ্ট্যযুক্ত/FEATURED
Spread the love


ককরোচ জনতা পার্টির বিরুদ্ধে ফুঁসে উঠলেন অভিনেত্রী সাংসদ কঙ্গনা রানাওয়াত। দাবি করলেন, যেভাবে নিট কাণ্ডে প্রতিবাদ দেখাতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে আক্রমণ করেছে আন্দোলনকারীরা তা মেনে নেওয়া যায় না। তাঁর প্রশ্ন, ‘এরা কেমন ছাত্র?’ পরে এক্স হ্যান্ডলে তিনি লেখেন ‘কারা এদের জন্ম দিচ্ছে আর বড় করছে?’ কঙ্গনার এহেন মন্তব্যে তাঁকে পালটা দিয়েছে ‘ককরোচ’ও। তাদের খোঁচা, বিজেপিতেই কেউ পাত্তা দেয় না কঙ্গনাকে। সেই সঙ্গে দাবি, ”আপনার চেয়ে জেন জি প্রজন্ম এই দেশের জন্য অনেক বেশি কাজ করেছে এবং এখনও করে চলেছে।”

বিতর্কের সূত্রপাত কঙ্গনার মন্তব্য থেকে। তিনি সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলার সময় বলেন, ”আমাদের ৭৫ বছর বয়সি প্রধানমন্ত্রীকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে এবং তাঁর প্রয়াত মায়ের উদ্দেশ্যে অত্যন্ত কুরুচিপূর্ণ গালিগালাজ করা হয়েছে। আমরাও ছাত্র আন্দোলনে অংশ নিয়েছি। কিন্তু এরা কেমন ছাত্র! কী ধরনের অশ্লীল ভাষা এরা ব্যবহার করছে? এদের মধ্যে ছাত্রদের লক্ষণই বা কোথায়? ভবিষ্যতে যদি এদের সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী বা আইনি পরামর্শের প্রয়োজন হয়, তবে কি তাদের বাবা-মায়ের পক্ষে সেই খরচ বহন করা সম্ভব হবে? নিজেদের তো সেই সামর্থ্য নেই। আমরা ষোলো বছর বয়স থেকেই নিজেদের কেরিয়ার গড়ে তুলছি। কখনওই বাবা-মায়ের ওপর বোঝা হয়ে থাকিনি। সামাজিক দিক থেকে দেখলে বিষয়টি আমাদের কাছে একেবারেই অগ্রহণযোগ্য।”

আরও পড়ুন:

এরপর তিনি এক্স হ্যান্ডলে লেখেন, ‘কী জঘন্য! কারা এদের জন্ম দিয়েছে আর বড় করছে? ভারত বৈচিত্রময় ও সুন্দর মানুষের দেশ— যারা মার্জিত ও সাংস্কৃতিকভাবে অত্যন্ত রুচিশীল। অথচ আপনারা নিজেদেরই ‘আরশোলা’ বলে অভিহিত করছেন এবং ঠিক তাদের মতোই আচরণ করছেন। এখানে কোনও বৈপরীত্য বা ভিন্নতার বিষয় নেই। বরং আপনারা কেবল আপনাদের নোংরামি, আবর্জনা আর কদর্যতা দিয়েই পৃথিবীকে অতিষ্ঠ করে তুলছেন। এসব রিলস দেখে আমি মানসিকভাবে বিপর্যস্ত। আমার এখন কিছুটা মানসিক প্রশান্তি ও ‘ডিজিটাল ডিটক্স’ (ডিজিটাল মাধ্যম থেকে সাময়িক বিরতি) প্রয়োজন।’

অভিনেত্রীর এমন মন্তব্যের ‘জবাব’ দিয়েছে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ও। দলের মুখপাত্র সৌরভ দাস বলেছেন, ”কঙ্গনা রানাউতের নিজের দলের লোকেরাই তাঁকে খুব একটা গুরুত্ব দেয় না। তাঁর কথাকে কেউই তেমন আমল দেয় না। তাহলে আমরাই বা কেন দেব? আমার মনে হয় না জেন জি, জেন আলফা বা তরুণ প্রজন্মের কেউ তাঁকে আদৌ গুরুত্বের সঙ্গে নেয় কিংবা তাঁর কথা শোনে।”

সেই সঙ্গেই তাঁর আরও খোঁচা, ”উনি এখন একজন রাজনীতিবিদ। হিমাচলে নিজের নির্বাচনী এলাকা পরিদর্শনের সময় তাঁর কিছু ভিডিও সামনে এসেছিল, যেখানে তিনি বলেছিলেন যে, সাংসদ হওয়ার কাজটা হয়তো খুব একটা কঠিন নয়— কিন্তু বাস্তবে দেখা গেল এর জন্য প্রচুর পরিশ্রমের প্রয়োজন। এতেই তাঁর দায়িত্ববোধ বা গুরুত্বের বিষয়টি স্পষ্ট হয়ে যায়। তিনি আমাদের ‘দায়িত্বজ্ঞানহীন প্রজন্ম’ বলে অভিহিত করেন, অথচ তিনিই নিজের দায়িত্ববোধের অভাব প্রকাশ করে ফেলেছেন। আপনার চেয়ে জেন জি প্রজন্ম এই দেশের জন্য অনেক বেশি কাজ করেছে এবং এখনও করে চলেছে। দেশের গণতন্ত্রের প্রতি মানুষের আস্থা ফিরিয়ে আনার ক্ষেত্রে জেন জি ভূমিকা রেখেছে— যা আপনি করেননি। তাই বিষয়টি আপনার অবশ্যই মনে রাখা উচিত।”

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *