রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গেও যোগাযোগ তৈরি করার বেশ কয়েক বার চেষ্টা করেছিলেন যৌন অপরাধী জেফ্রি এপস্টেইন। একাধিক রুশ কূটনীতিকের মারফত সেই বার্তাও পাঠাতেন। এপস্টেইন ফাইলসের সদ্য প্রকাশিত নথি থেকে এমনটা জানা গিয়েছে। তবে এপস্টেইন সত্যিই পুতিনের সঙ্গে যোগাযোগ করে উঠতে পেরেছিলেন কি না, তা স্পষ্ট নয়। নথি থেকেও সে ব্যাপারে সুস্পষ্ট কিছু জানা যায়নি।
নয়া নথি থেকে জানা গিয়েছে, রাষ্ট্রসংঘের রুশ রাষ্ট্রদূত ভিটালি চার্কিনের মৃত্যুর পর ২০১৮ সালের জুনে নরওয়ের এক রাজনীতিকের সঙ্গে ইমেলে যোগাযোগ করেছিলেন এপস্টেইন। কাউন্সিল অফ ইউরোপের তৎকালীন সেক্রেটারি জেনারেল পদে থাকা ওই রাজনীতিককে ক্রেমলিনে একটি বার্তা পৌঁছে দেওয়ার আর্জি জানিয়েছিলেন তিনি। এপস্টেইনের আর্জি ছিল, রুশ বিদেশমন্ত্রী সার্গেই লাভরভ যাতে তাঁর সঙ্গে কথা বলেন। এ ব্যাপারে পুতিনের সঙ্গেও আলোচনা করার কথা বলেছিলেন এপস্টেইন। জবাবে নরওয়ের ওই রাজনীতিক জানান, লাভরফের সহকারীর সঙ্গে দেখা হলে তাঁকেই সব কথা বলবেন তিনি।
আরও পড়ুন:
নথির তথ্য অনুযায়ী, ২০১৩ সালে রাশিয়ার সোচি শহরেও পুতিনের সঙ্গে দেখা করতে চেয়েছিলেন এপস্টেইন। একটি মেলে লিখেছিলেন, রাশিয়ায় যাতে পশ্চিমি বিশ্বের লগ্নি টানা যায়, সে ব্যাপারেই তিনি পুতিনকে পরামর্শ দিতে চান। যদিও এই তথ্যকে ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছে ক্রেমলিন। মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ জানান, রুশ গোয়েন্দা বিভাগ সংক্রান্ত যে সব বিষয়ের উল্লেখ রয়েছে এপস্টেইন ফাইলসে, তা একেবারেই ভিত্তিহীন।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
