কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা ‘এআই’-এর যুগে এবার পড়াশোনা আর গবেষণাকে এক সুতোয় গাঁথতে বড় পদক্ষেপ নিল আইইএম-ইউইএম (IEM-UEM) গ্রুপ। প্রযুক্তির দুনিয়ায় নিজেদের আরও এক ধাপ এগিয়ে নিতে তারা হাত মেলাচ্ছে বিখ্যাত সংস্থা ‘ইনভারিজ প্রাইভেট লিমিটেড’-এর সঙ্গে। সম্প্রতি দুই পক্ষের মধ্যে একটি বিশেষ মৌ (MoU) স্বাক্ষরিত হয়েছে।
এই চুক্তির আসল লক্ষ্য হল পড়াশোনার গণ্ডি ছাড়িয়ে ছাত্রছাত্রীদের সরাসরি শিল্পের দুনিয়ার সঙ্গে যুক্ত করা। সাধারণ ক্লাসরুমের শিক্ষার বাইরে গিয়ে নতুন যুগের প্রযুক্তিকে কাজের জায়গায় কীভাবে কাজে লাগানো যায়, সেটাই শেখানো হবে। এর ফলে পড়াশোনা আর গবেষণার ক্ষেত্র আরও প্রসারিত হবে।
আরও পড়ুন:
দুই সংস্থা মিলে তৈরি করতে চলেছে একটি যৌথ ‘সেন্টার অফ এক্সিলেন্স’। মূলত এআই এবং জেনারেটিভ এআই নিয়ে এখানে কাজ হবে। গবেষণার পাশাপাশি প্রযুক্তি উদ্ভাবন এবং বাস্তব সমস্যার সমাধান খোঁজা হবে মূল কাজ। প্রযুক্তি কীভাবে বাস্তবে কাজে আসে, তা হাতেকলমে শেখার সুযোগ পাবেন পড়ুয়ারা।
এই চুক্তির ফলে শুধু শিক্ষার্থীরাই নন, লাভবান হবেন শিক্ষকরাও। শিল্পের জগতের অভিজ্ঞ মানুষদের সঙ্গে কথা বলার ও কাজ করার সুযোগ পাবেন তাঁরা। হবে নানা সেমিনার, ওয়ার্কশপ এবং হ্যাকাথন। জাতীয় ও আন্তর্জাতিক স্তরের যৌথ গবেষণা প্রকল্পেও কাজ করার সুযোগ থাকছে।
শিক্ষার্থীদেরকে কর্মজীবনের জন্য আগেভাগে তৈরি করাই এই উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য। পড়ুয়ারা পাবেন পেড ইন্টার্নশিপ বা পারিশ্রমিকসহ শিক্ষানবিশির সুযোগ। এমনকী ভালো কাজের ভিত্তিতে মিলতে পারে চাকরির আগাম অফার বা ‘প্রি-প্লেসমেন্ট অফার’।
ইউইএম-এর উপাচার্য অধ্যাপক ড. সত্যজিৎ চক্রবর্তী জানান, শিক্ষাকে কেবল ক্লাসরুমের চার দেওয়ালের মধ্যে আটকে রাখলে চলবে না। তাকে বাস্তব জগতের সঙ্গে মেলাতে হবে। ইনভারিজের সঙ্গে এই চুক্তি গবেষণা ও প্রযুক্তির অগ্রগতিকে আরও গতি দেবে।
সব মিলিয়ে, এআই-এর যুগে পড়ুয়াদের ভবিষ্যত আরও সুরক্ষিত ও উজ্জ্বল করতে এই উদ্যোগ এক নতুন দিগন্ত খুলে দিল বলে মনে করা হচ্ছে।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
