‘দোষারোপ করে লাভ নেই’, নেপাল বিপর্যয়ে দায় এড়াল চিন, কাঠমান্ডু-বেজিং সম্পর্কে চিড়!

সিনেমা/বিনোদন/থিয়েটার
Spread the love


হড়পা বানে বিপর্যস্ত নেপাল। সরকারি হিসাব অনুযায়ী, এখনও পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা ১৭৫। নিখোঁজ অন্তত ৭৫০। তাঁদের মধ্যে ৩০০ জন ভারতীয়। এই পরিস্থিতিতে নেপাল বিপর্যয়ের দায় এড়াল চিন। বেজিং সাফ জানিয়ে দিয়েছে, দোষারোপ করে লাভ নেই। তাহলে কি এবার চিন-কাঠমান্ডু সম্পর্কে চিড় ধরল? এই প্রশ্নটাই এখন জোরালো হচ্ছে।  

এই বিষয়ে আরও খবর

বুধবার ভয়ংকর এই দুর্যোগের পরই চিনের দিকে আঙুল তোলে নেপাল। তারা দাবি করে, চিনের একটি একটি বাঁধ ভেঙে পড়ার ফলে এই বানভাসি পরিস্থিতি। একইসঙ্গে এ-ও দাবি করা হয় যে, বিপদ বুঝেও কাঠমান্ডুকে সতর্ক করেনি বেজিং। কিন্তু বৃহস্পতিবার নেপালের সমস্ত দাবি খারিজ করে দেয় বেজিং। পাশাপাশি, এধরনের খবরকে ‘ভুয়ো’ বলেও অভিহিত করে তারা। নেপালের চিনা দূতাবাস সমাজমাধ্যমে একটি বিবৃতি জারি করে। সেখানে তারা লিখেছে, ‘বিপর্যয়ের সূত্রপাত হয় নেপালের সীমান্তবর্তী অঞ্চল থেকে। গত ২৬ আগস্ট সকালে নেপালে ভূমিকম্প অথবা হিমবাহ ধসের ধসের ঘটনা ঘটে। এর ফলে কাদা ধস সৃষ্টি হয়। সেই কারণেই গিরং-রাসুওয়াগাধি সীমান্ত অঞ্চলের নেপাল ও চিনে প্রাণহানির এবং নিখোঁজের ঘটনা ঘটেছে। বেজিং জানিয়েছে,  দোষারোপ করে কোনও লাভ নেই। সহযোগিতাই জীবন বাঁচায়।

এদিকে ইউএসজিএস প্রাথমিকভাবে জানিয়েছিল, বুধবার ভোরে কাঠমান্ডু থেকে প্রায় ৬৬ কিলোমিটার উত্তরে নেপাল-চিন সীমান্তের কাছে ৪.৪ মাত্রার একটি ভূমিকম্প আঘাত হেনেছিল। কিন্তু পরে তারা তাদের মূল্যায়ন সংশোধন করে জানায় যে, এই কম্পন ভূমিকম্পের কারণে সৃষ্ট নয়। এটি হিমবাহ ধসের কারণে সৃষ্ট। রিখটার স্কেলে এই কম্পনের তীব্রতা ছিল ৫.২। সংস্থাটি জানিয়েছে, নিকটবর্তী ভূ-কম্পন পরিমাপক কেন্দ্র থেকে প্রাপ্ত তথ্য, ভূ-কম্পন তরঙ্গ এবং প্রাপ্ত উপগ্রহ চিত্র বিশ্লেষণ করে তারা এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছে। সংস্থাটি আরও জানিয়েছে, হিমবাহ ধসের ফলে বিপুল পরিমাণ বরফ ও পাথর নিচের দিকে নেমে আসে এবং আকস্মিক জলোচ্ছ্বাসের সৃষ্টি করে। এর জেরেই উপত্যকার নিচের জনবসতিগুলি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। জলবায়ু বিশেষজ্ঞরাও এই হড়পা বানের নেপথ্য কারণ হিসাবে হিমবাহ ধসকেই মান্যতা দিয়েছে।

এই বিষয়ে আরও খবর

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *