দুর্নীতি মামলায় গ্রেপ্তার হতেই অপসারিত জেলা পরিষদের সহ-সভাধিপতি সুজয়, শূন্য পদে এবার কে?

দুর্নীতি মামলায় গ্রেপ্তার হতেই অপসারিত জেলা পরিষদের সহ-সভাধিপতি সুজয়, শূন্য পদে এবার কে?

বৈশিষ্ট্যযুক্ত/FEATURED
Spread the love


দুর্নীতি মামলায় গ্রেপ্তার হয়েছেন মাস খানেক হল। এরপরই সিংহভাগ সদস্যের অনাস্থা প্রস্তাবের জেরে অপসারিত হলেন পুরুলিয়া জেলা পরিষদের সহ-সভাধিপতি সুজয় বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর শূন্য পদে এবার কে? এই প্রশ্ন উঠতেই শুরু হয়েছে জল্পনা। দলবদলকারী বিজেপি সদস্য কলেন্দ্রনাথ মান্ডিকে সেই চেয়ারে বসানো হতে পারে। অন্যদিকে, জেলা সভাধিপতি নিবেদিতা মাহাতোর বিরুদ্ধেও অনাস্থা আনা হয়েছিল। কিন্তু গোপনে ঠিক হয়, তাঁকে সরানো হবে না, মূল টার্গেট সুজয় বন্দ্যোপাধ্যায়ই। ফলে নিজের পদেই বহাল রয়েছেন নিবেদিতা।

গত রবিবার ঝাড়খণ্ডের বোকারোর একটি রিসর্টে তৃণমূলের ২২ জন সদস্য গোপন বৈঠক করে সভাধিপতি নিবেদিতা মাহাতো ও তাঁর সঙ্গে থাকা তিন সদস্যের সঙ্গে। সেই বৈঠকেই সিদ্ধান্ত হয় অনাস্থা ডাকা হলেও নিবেদিতাকে সরানো হবে না। সরানো হবে সুজয়কে।তাঁকে সরাতে নেতৃত্ব দেবেন সভাধিপতি নিবেদিতা। ওই গোপন বৈঠকের প্লট মতই বৃহস্পতিবার অনাস্থা বৈঠকে তা উপস্থাপিত করেন স্বয়ং সভাধিপতি।

আরও পড়ুন:

পুরুলিয়া জেলা পরিষদের মোট আসন সংখ্যা ৪৫। ২০২৩ সালের পঞ্চায়েত নির্বাচনের ফলাফলে তৃণমূল পায় ৪৩টি আসন, বিজেপির দখলে আসে ২টি। পরে তৃণমূলের এক সদস্য মারা যাওয়ায় সংখ্যা কমে দাঁড়ায় ৪২। ভোটের আগে কলেন্দ্রনাথ মান্ডি নামে আরেক সদস্য বিজেপিতে যোগদান করেন। ফলে এখন তৃণমূলের সদস্য সংখ্যা ৪১। তৃণমূল কংগ্রেসের মোট অনাস্থা এনেছিলেন ২৪ সদস্য। অনাস্থা আনা হয়েছিল জেলা পরিষদের সভাধিপতি নিবেদিতা মাহাতো ও সহ-সভাধিপতি সুজয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে। এপর্যন্ত ঠিক ছিল। এরপরই ‘কাহানি মে টুইস্ট’।

গত রবিবার ঝাড়খণ্ডের বোকারোর একটি রিসর্টে তৃণমূলের ২২ জন সদস্য গোপন বৈঠক করে সভাধিপতি নিবেদিতা মাহাতো ও তাঁর সঙ্গে থাকা তিন সদস্যের সঙ্গে। সেই বৈঠকেই সিদ্ধান্ত হয় অনাস্থা ডাকা হলেও নিবেদিতাকে সরানো হবে না। সরানো হবে সুজয়কে।তাঁকে সরাতে নেতৃত্ব দেবেন সভাধিপতি নিবেদিতা। ওই গোপন বৈঠকের প্লট মতই বৃহস্পতিবার অনাস্থা বৈঠকে তা উপস্থাপিত করেন স্বয়ং সভাধিপতি। অথচ পালাবদলের পরেও তাঁরা একসঙ্গে জেলা পরিষদের কাজকর্ম চালাচ্ছিলেন। বিভিন্ন দরপত্র আহ্বান নিয়ে জেলাশাসকের দ্বারস্থ হয়েছিলেন।কিন্তু সুজয় গ্রেপ্তারের  পরই হঠাৎ নিবেদিতা-সুজয়ের সমীকরণ বদলে যায়।

এ দিনের অনাস্থা বৈঠকে গরহাজির ছিলেন তৃণমূল পরিচালিত এই জেলা পরিষদের দলনেতা তথা প্রাক্তন বিধায়ক স্বপন বেলথরিয়া, রাজ্য তৃণমূলের সম্পাদক তথা পুরুলিয়া জেলা পরিষদের পূর্ত কার্য ও পরিবহণ স্থায়ী সমিতির কর্মাধ্যক্ষ হংসেশ্বর মাহাতো, জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশ স্থায়ী সমিতির কর্মাধ্যক্ষ তথা পুরুলিয়া জেলা তৃণমূলের প্রাক্তন সভাপতি রাজীবলোচন সোরেনের স্ত্রী। গত বুধবার সভাধিপতি নিবেদিতা মাহাতোর অনাস্থার বৈঠক থাকলেও জেলা পরিষদের কোনও সদস্য হাজির হননি। শুধু ছিল পুলিশ। তাই তিনি ওই চেয়ারেই বহাল রয়েছেন যথারীতি।

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *