বিশ্বনাথ আনন্দের মুকুটে আরও এক নতুন পালক। আন্তর্জাতিক দাবা সংস্থার অন্তর্বর্তীকালীন সভাপতির দায়িত্ব নিলেন পাঁচবারের এই কিংবদন্তি বিশ্বচ্যাম্পিয়ন। ইউরোপীয় ইউনিয়নের নিষেধাজ্ঞার জেরে ফিডের বর্তমান সভাপতি আর্কাদি দভোরকোভিচ দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। ফলে সংস্থার নিয়ম অনুযায়ী ভাইস প্রেসিডেন্ট আনন্দ এই দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
ইউক্রেনে রাশিয়ার আগ্রাসনের পর থেকেই ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও তাদের মিত্র দেশগুলো রাশিয়ার বিরুদ্ধে একের পর এক অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক নিষেধাজ্ঞা জারি করছে। এটা ইইউ-র ২১তম নিষেধাজ্ঞা। এতে নতুন করে ৪৮ জন ব্যক্তি ও ১৭০টি সংস্থা-সহ মোট ২১৮ জনের নাম যুক্ত। যুদ্ধ শুরুর পর এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বড় নিষেধাজ্ঞার তালিকা এটি। তালিকায় থাকা ব্যক্তিদের সম্পত্তিও জব্দ করা হতে পারে। পাশাপাশি তাঁরা আর্থিক সহায়তা পাওয়া থেকে বিভিন্ন দেশে ভ্রমণের ক্ষেত্রেও নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়তে পারেন।
আরও পড়ুন:
নিষেধাজ্ঞার তালিকায় নাম আসার পর দভোরকোভিচ এই সিদ্ধান্তের কড়া সমালোচনা করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, এই নিষেধাজ্ঞা অবৈধ ও অন্যায়। তিনি আইনি পথে এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করবেন। শেষ পর্যন্ত ন্যায়বিচার পাবেন বলেও আশা প্রকাশ করেছেন। ২০১২ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত রাশিয়ার উপ-প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। ২০১৮ সাল থেকে ফিডের সভাপতি হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন এই দভোরকোভিচ। ইইউ-র নিষেধাজ্ঞার জেরে আন্তর্জাতিক দাবা সংস্থার এখন অন্তর্বর্তী সভাপতির দায়িত্ব সামলাবেন আনন্দ।
Following the choice by President Arkady Dvorkovich to droop the train of his duties, and in accordance with the FIDE Constitution, I’ve assumed the duties of Interim President.
I wish to thank Arkady for his management and for placing the pursuits and stability… https://t.co/KexdV5WLal
— Viswanathan Anand (@vishy64theking) July 24, 2026
দায়িত্ব নেওয়ার পর আনন্দ এক্সে লিখেছেন, ‘আর্কাদি দভোরকোভিচ সাময়িকভাবে সভাপতির দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। তাই ফিডের নিয়ম অনুযায়ী আমি অন্তর্বর্তী সভাপতির দায়িত্ব নিয়েছি। আর্কাদিকে ধন্যবাদ। আমার লক্ষ্য থাকবে ফিডের কাজ যেন স্বাভাবিকভাবে চলতে থাকে। বিশ্বের দাবা পরিবারকে সেবা করার জন্যই কাজ করব। আর্কাদি একটি শক্তিশালী দল তৈরি করেছেন। সেই কাজ এগিয়ে নিয়ে যাওয়াই এখন আমাদের সবার দায়িত্ব।’ প্রসঙ্গত, ইইউ-র অভিযোগ, ফিডের সভাপতি হিসাবে দভোরকোভিচ নিজের পদের অপব্যবহার করে রাশিয়ার স্বার্থকে সমর্থন করেছেন। তাঁর আগের রাজনৈতিক ভূমিকা, রাশিয়ার সমর্থনে ফিডের নির্বাচনে জয় এবং ইউক্রেনের দখল হওয়া কিছু এলাকা নিয়ে তাঁর অবস্থানের কারণেই তাঁর উপর এই নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
