ছাব্বিশের আগেই গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব চরমে, মহেশতলায় দলীয় সভায় বিজেপির কর্মীর মুখে ছোড়া হল গরম চা!

ছাব্বিশের আগেই গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব চরমে, মহেশতলায় দলীয় সভায় বিজেপির কর্মীর মুখে ছোড়া হল গরম চা!

স্বাস্থ্য/HEALTH
Spread the love


সুরজিৎ দেব, ডায়মন্ডহারবার: ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনের আগে ফের বিজেপির গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে! সাংগঠনিক জেলার দলীয় সভার মধ্যেই চলল তুমুল বিবাদ, ধাক্কাধাক্কি। এক বিজেপি কর্মীর মুখে গরম চা ছোড়ার অভিযোগ উঠল। দক্ষিণ ২৪ পরগনার মহেশতলায় এই ঘটনায় তুমুল রাজনৈতিক চর্চা শুরু হয়েছে। আক্রান্ত বিজেপি কর্মী থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

ডায়মন্ডহারবারে সরিষার পর ফের বিজেপির গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে এল মহেশতলায়। বিজেপির ডায়মন্ডহারবার সংগঠনিক জেলার সভার মধ্যেই দলীয় কোন্দল প্রকাশ্যে এল। তুমুল বাকবিতণ্ডা ও ধাক্কাধাক্কি চলল বিজেপির নেতা ও কর্মীদের মধ্যে। শুক্রবার রাতে বিজেপির ডায়মন্ডহারবার সাংগঠনিক জেলার মহেশতলার ৬ নম্বর মণ্ডলের একটি বৈঠক চলছিল মহেশতলার নুঙ্গি স্টেশন সংলগ্ন বিজেপির দলীয় কার্যালয়ে। অভিযোগ, সভার মধ্যেই প্রাক্তন জেলা সভাপতি অভিজিৎ সর্দারের সঙ্গে বেশ কিছু বিজেপি কর্মীর তর্কবিতর্ক হয়। কিছু সময় পরে সেই তর্ক-বিতর্ক থেমেও যায়। তবে পার্টি অফিস থেকে বাইরে বেরিয়ে যান বিজেপির প্রাক্তন জেলা সভাপতি অভিজিৎ সর্দার।

অভিযোগ, তারপর বিজেপিরই প্রাক্তন বস্তি উন্নয়ন সেলের কনভেনার সঞ্জীব সেনকে লক্ষ্য করে গরম চা ছুড়ে দেন বিজেপির আরেক প্রাক্তন জেলা সভাপতি। আক্রান্ত বিজেপি কর্মী সঞ্জীব সেনের অভিযোগ, সেই গরম চা তাঁর ডান চোখে পড়ে। গরম চা পড়ার কারণে চোখে জ্বালা এবং যন্ত্রণা অনুভব করেন। চোখে দেখতেও তাঁর সমস্যা হচ্ছিল। ঘটনায় তুমুল উত্তেজনা ছড়ায় বিজেপির কর্মীদের মধ্যে।

ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত মহেশতলা থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। উত্তপ্ত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। আক্রান্ত বিজেপি কর্মী সঞ্জীব সেন মহেশতলা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। থানা থেকেই তাঁকে চিকিৎসার জন্য বেহালার বিদ্যাসাগর হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানেই তাঁর প্রাথমিক চিকিৎসা হয়েছে বলে খবর। পুলিশ ইতিমধ্যেই গোটা ঘটনা খতিয়ে দেখার কাজ শুরু করেছে। এই ঘটনায় প্রাক্তন জেলা সভাপতি অভিজিৎ সর্দার এবং বর্তমান জেলা সভাপতি সোমা ঘোষকে ফোন করা হয়েছিল। যদিও তাঁরা কেউই ওই ফোন ধরেননি।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *