কমার্শিয়াল পার্টনার নিয়ে কাটল না জট, জিনিয়াস স্পোর্টস নিয়ে ঝুলে রইল ফেডারেশনের সিদ্ধান্ত

কমার্শিয়াল পার্টনার নিয়ে কাটল না জট, জিনিয়াস স্পোর্টস নিয়ে ঝুলে রইল ফেডারেশনের সিদ্ধান্ত

সিনেমা/বিনোদন/থিয়েটার
Spread the love


কমার্শিয়াল পার্টনার হিসাবে জিনিয়াস স্পোর্টসের সঙ্গে ফেডারেশনের আদৌ কি চুক্তি করা সম্ভব হবে? শনিবার কলকাতায় ফেডারেশনের স্পেশাল জেনারেল মিটিংয়ের পরেও সেই উত্তর পাওয়া গেল না। কমার্শিয়াল পার্টনার হিসাবে জিনিয়াস স্পোর্টসের সঙ্গে ফেডারেশনের চুক্তি আপাতত ঝুলে রইল। 

শুক্রবার ফেডারেশনের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট এনএ হ্যারিস আইএলএস ক্লাবগুলির সঙ্গে আলোচনায় বসেছিলেন। সেখানে কোনও সমাধানসূত্র বেরয়নি। জিনিয়াস স্পোর্টস থাকলে ক্লাবগুলো যে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে, সে কথা জানানো হয়। এরপরেই ইস্টবেঙ্গল, মহামেডান স্পোর্টিং, জামশেদপুর এফসি বাদে বাকি ১১টি ক্লাব সই করে চিঠি দিয়ে জানিয়ে দেয়, কমার্শিয়াল পার্টনারের শর্তগুলি পুনর্বিবেচনা করতে, যাতে আর্থিক পরিকাঠামো ঠিক করা যায়।

আরও পড়ুন:

শনিবার কলকাতায় ফেডারেশনের স্পেশাল জেনারেল মিটিং ছিল। সেখানে উপস্থিত ছিলেন প্রাক্তন এআইএফএফ সভাপতি প্রফুল প্যাটেল। এই মিটিং নিয়ে একটা আইনগত সমস্যাও দেখা গিয়েছিল। কিছুদিন আগেই চার্চিল ব্রাদার্সের প্রতিনিধি ভালেঙ্কা আলেমাও ২৩ মে-র স্পেশাল জেনারেল মিটিং নিয়ে একটি আইনি নোটিস পাঠান। সেখানে তিনি জানান, ফেডারেশন এখন চলছে উচ্চ আদালতের সংবিধান অনুযায়ী। যে সংবিধানে স্পেশাল জেনারেল মিটিংয়ে ১৫ জন প্রাক্তন ফুটবলারের উপস্থিত থাকা প্রয়োজন। অথচ তাঁদের জানানো হয়নি। এদিনের মিটিংয়ের শুরুতে ওড়িশার প্রতিনিধি অভিজিৎ পালও এই প্রসঙ্গ তুলে ধরেন। এর পরেই ঠিক হয়, স্পোর্টস বিল অনুযায়ী ফেডারেশনের সংবিধান সংশোধন করতে হবে।

আইএসএলের নতুন স্পনসর নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই জটিলতা অব্যাহত। মার্চ মাসে জিনিয়াস স্পোর্টস ২০২৬-২৭ মরশুম থেকে ১৫ বছরের জন্য (অতিরিক্ত ৫ বছর বাড়ানোর সুযোগ-সহ) বছরে ২১২৯ কোটি টাকার প্রস্তাব দিলেও, লিগের ক্লাবগুলি এতে একমত নয়। এই প্রস্তাবের আওতায় লিগ পরিচালনার ক্ষেত্রে ক্লাবগুলি নিজেদের লাভ ও নিয়ন্ত্রণ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে তারা। আপাতত শনিবারের বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছে, জিনিয়াস স্পোর্টসের প্রস্তাবটি আবার এক্সিকিউটিভ বোর্ডে পাঠানো হবে। ফলে বিষয়টি অনিশ্চয়তায় রয়ে গেল। বলা চলে, জিনিয়াস স্পোর্টস নিয়ে ফেডারেশনের সিদ্ধান্ত ঝুলে রইল। এই পরিস্থিতিতে নিজেদের আর্থিক স্বার্থ উপেক্ষিত হচ্ছে বলে মনে করে আইএসএল ক্লাবগুলি আইনি পথে যাওয়ার প্রস্তুতিও শুরু করেছে।

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *