একঘণ্টা অপেক্ষার পরও আসেননি অধ্যক্ষ, কলেজের পরিচালন কমিটির সভাপতি দায়িত্ব নিজেই নিলেন কৌস্তভ!

রাজ্য/STATE
Spread the love


কলেজে এসে প্রায় এক ঘণ্টা অপেক্ষা। ফোন, মেসেজ করেও অধ্যক্ষের দেখা না মেলেনি! শেষপর্যন্ত নিজের হাতেই রেজোলিউশন লিখে বারাকপুর রাষ্ট্রগুরু সুরেন্দ্রনাথ কলেজের পরিচালন কমিটির সভাপতির দায়িত্ব নিলেন বিধায়ক কৌস্তভ বাগচী। কেন কলেজের অধ্যক্ষ এদিন উপস্থিত থাকলেন না? সেই বিষয়ে জোর গুঞ্জন ছড়িয়েছে ক্যাম্পাসে।

আজ, সোমবার সকালে কলেজের সায়েন্স ক্যাম্পাসে পৌঁছন এলাকার বিধায়ক কৌস্তভ বাগচী। উচ্চশিক্ষা দপ্তরের নির্দেশে তাঁকে পরিচালন কমিটির সভাপতি করা হয়েছে। কিন্তু দায়িত্ব হস্তান্তরের সময় উপস্থিত ছিলেন না অধ্যক্ষ মনোজিৎ রায়। কৌস্তভের দাবি, আগে থেকেই ফোন ও মেসেজে তাঁর আসার কথা জানানো হয়েছিল। কিন্তু তিনি এলেও অধ্যক্ষ অনুপস্থিত থাকে। মনোজিৎ রায়ের জন্য অপেক্ষাও করা হয়। তাঁকে একাধিকবার ফোন করেও সাড়া মেলেনি বলে অভিযোগ।

আরও পড়ুন:

অধ্যক্ষের অনুপস্থিতিতেই কার্যভার গ্রহণের কথা লিখিতভাবে উচ্চশিক্ষা দপ্তর, পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য এবং অধ্যক্ষকে জানান বিধায়ক। কৌস্তভ বলেন, “নোটিফিকেশন বেরনোর পর এদিন ফর্মালি চার্জ নিতে এসেছিলাম। প্রিন্সিপাল স্যারকে আগেই ফোন ও মেসেজ মারফত জানিয়েছিলাম। উনি মেসেজ দেখলেও অজ্ঞাত কারণে উপস্থিত হননি এবং কাউকে দায়িত্ব হস্তান্তরও করে যাননি।” এদিন কলেজে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা চললেও অধ্যক্ষ, যিনি সেন্টার ইন-চার্জ, অনুপস্থিত ছিলেন। কৌস্তভ বলেন, “কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটলে তার দায়িত্ব কার? এমন দিনে তাঁর না থাকা অত্যন্ত সন্দেহজনক ও অস্বাভাবিক।”

দায়িত্ব নিয়েই বহিরাগতদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা, পরিচয়পত্রে প্রবেশ, ছাত্র রাজনীতি ও ছাত্র সংসদ নির্বাচনে প্রার্থীদের ন্যূনতম ৭৫ শতাংশ উপস্থিতি নিশ্চিত করার কথাও জানান কৌস্তভ। এদিন তাঁর সঙ্গে আসা দলীয় কর্মী-সমর্থকদেরও কলেজের বাইরে অপেক্ষা করতে বলেন বিধায়ক।

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *