‘অরাজকতা সৃষ্টি করে সরকার ফেলার ষড়যন্ত্র’, রাহুলকে তোপ বিজেপির

‘অরাজকতা সৃষ্টি করে সরকার ফেলার ষড়যন্ত্র’, রাহুলকে তোপ বিজেপির

ইন্ডিয়া খবর/INDIA
Spread the love


লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীর বিরুদ্ধে দেশে ‘অরাজকতা সৃষ্টি করে’ নরেন্দ্র মোদির সরকারকে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্রের অভিযোগ তুলেছে বিজেপি। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী পীযূষ গোয়েল-সহ একাধিক বিজেপি নেতার দাবি, রাহুল গান্ধী বিদেশি শক্তির নির্দেশে কাজ করছেন। তাঁর ‘পরিকল্পনা’ও ফাঁস হয়ে গিয়েছে।

সূত্রের খবর, গত মঙ্গলবার কংগ্রেসের সংখ্যালঘু উপদেষ্টা কমিটির এক বৈঠকে রাহুল গান্ধী নাকি বলেছিলেন, আগামী এক বছরের মধ্যে মোদি সরকার পড়ে যাবে। তাঁর দাবি, দেশের ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক অসন্তোষ রাজনৈতিক পরিবর্তনের পথ তৈরি করবে। আর তাঁর এই মন্তব্যের পর সোশাল মিডিয়া এক্স-এ কড়া প্রতিক্রিয়া জানান কেন্দ্রীয় মন্ত্রী পীযূষ গোয়েল। তিনি লেখেন, ‘রাহুল গান্ধীর এই বক্তব্য কংগ্রেস, বিরোধী দল এবং টুলকিট গ্যাংয়ের বৃহত্তর ষড়যন্ত্রের ইঙ্গিত দেয়। এটি সাধারণ মন্তব্য নয়, বরং দেশে অরাজকতা তৈরির পরিকল্পনা।’

আরও পড়ুন:

গত মঙ্গলবার কংগ্রেসের সংখ্যালঘু উপদেষ্টা কমিটির এক বৈঠকে রাহুল গান্ধী নাকি বলেছিলেন, আগামী এক বছরের মধ্যে মোদি সরকার পড়ে যাবে।

তিনি আরও বলেন, ‘যখন রাহুল গান্ধী ও তাঁর সহযোগীরা বুঝতে পারলেন যে, দেশের মানুষের হৃদয় থেকে নরেন্দ্র মোদিকে সরানো সম্ভব নয় এবং গণতান্ত্রিক লড়াইয়ে ভারতীয় জনতা পার্টি-কে পরাজিত করা যাচ্ছে না, তখন তাঁরা দেশে হিংসা উস্কে দেওয়ার পথ বেছে নিয়েছেন।’ গোয়েলের অভিযোগ, কংগ্রেস দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করছে এবং সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলিকে অপমান করছে। তিনি বলেন, ‘দেশের মানুষ যথেষ্ট সচেতন। তারা রাহুল গান্ধী, বিরোধী শিবির এবং দেশবিরোধী শক্তিগুলিকে খুব ভালোভাবেই চেনে। ইন্ডিয়া জোটের দেশকে অশান্ত করার চক্রান্ত কখনও সফল হবে না।’

বিজেপি সাংসদ সম্বিত পাত্রও রাহুল গান্ধীর মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা করেছেন। এক ভিডিও বার্তায় তাঁর দাবি, লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী আবারও ঔদ্ধত্য দেখিয়েছেন। হিংসা উস্কে দিয়ে এবং অরাজকতার মাধ্যমে মোদি সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করার চেষ্টা করছেন তিনি। বিজেপি নেতা আরও অভিযোগ করেন, রাহুলের মন্তব্য থেকে এটা একেবারে স্পষ্ট যে তিনি জর্জ সোরোস এবং তাঁর বিদেশ ভ্রমণের অর্থায়নকারী বিদেশি সংস্থাগুলোর মতো ‘প্রভুদের’ নির্দেশে একটি ‘বিদেশি এজেন্ডা’ অনুসরণ করছেন, যার উদ্দেশ্য ভারতে গণতন্ত্রের অবসান ঘটানো। সম্বিত আরও বলেন, ‘যতদিন এই সরকার জনগণের আশীর্বাদ পাবে, ততদিন দেশের সেবা করে যাবে।’

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *