যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে পিএইচডিতে ভর্তিতে ‘বেনিয়ম’, এবিভিপির নিশানায় জুটা

খেলাধুলা/SPORTS
Spread the love


যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে পিএইচডিতে ভর্তিতেও বেনিয়মের অভিযোগ। এবিভিপির অভিযোগের তীর জুটার দিকে। বৃহস্পতিবার সোশাল মিডিয়ায় ভিডিও শেয়ার করে এমন বিস্ফোরক দাবি করল এবিভিপি। যদিও সে অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে জুটা। প্রমাণ থাকলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন জুটার সভাপতি পার্থপ্রতীম রায়।

এবিভিপির দাবি, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের পিএইচডিতে ভর্তি নিয়ে উঠছে গুরুতর প্রশ্ন। ওয়েটিং লিস্টে অনেক পরে নাম থাকা সত্ত্বেও এক নম্বরে নাম আনার গোপন পরিকল্পনা!বর্তমান ভিসি চিরঞ্জীব ভট্টাচার্য, ইমনকল্যাণ লাহিড়ী, পার্থপ্রতীম রায়ের বিরুদ্ধে উঠেছে অভিযোগের আঙুল। সোশাল মিডিয়ায় শেয়ার করা ভিডিওতে আর্টস ফ্যাকাল্টিতে পিএইচডি-র ভর্তির মেধাতালিকা প্রকাশ করা হয় না কেন, সে প্রশ্ন তোলে এবিভিপি। রাজনীতির সঙ্গে যুক্তদের ভর্তি করানোর জন্য এই ব্যবস্থা? কতজনকে এভাবে বাম শিক্ষকেরা ভর্তি করিয়েছে? বিনিময়ে নেওয়া হয়েছে কত টাকা, সে প্রশ্ন তোলা হয়। স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠানে এই অবস্থা হলে রাজ্য়ের অন্য়ান্য বিশ্ববিদ্যালয়ে কী হবে, সে প্রশ্নও তোলে এবিভিপি।

আরও পড়ুন:

জুটার সভাপতি অধ্যাপক পার্থপ্রতিম রায় বলেন, “যদিও সোশাল মিডিয়ার এই সব মিথ্যার কোনও জবাব হয় না। তাও আপনি লিখলেন বলে জানাচ্ছি। কেউ আমার নাম নিয়ে মিথ্যা কথা বললে তাকে সেটা প্রমাণ করতে হবে। আর অডিওটাও যে মিথ্যা নয় তারই বা কী প্রমাণ আছে? পিএইচডি-তে ভর্তির নির্দিষ্ট নিয়ম আছে। সেটা মেনেই হয়। কারও যদি যোগ্যতা না থাকে, তবে তার পিএইচডি বাতিল হয়ে যাওয়া উচিত। তাহলে বাতিল হয়ে যাচ্ছে না কেন? আসলে সোশাল মিডিয়াতে মিথ্যা কথা বললে কারও কোনও শাস্তি হয় না। যদি কারও ক্ষমতা থাকে আদালতে যাক। তখন দেখব।” আপাতত জুটা ও এবিভিপির মধ্যে পিএইচডি নিয়ে যে বাক তরজা তুঙ্গে, সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই।

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *