ভোটকোশির স্মৃতি ফিরল নেপালের বুধি গণ্ডকী নদীতে। রবিবার ভোরে সেখানে আছড়ে পড়ে বিধ্বংসী হড়পা বান। কার্যত তছনছ গোটা এলাকা। ভয়াবহ এই ঘটনার জেরে অন্তত দুশো বিদেশি পর্যটক বিভিন্ন এলাকায় আটকে পড়েছেন বলে জানা গিয়েছে। আটকে পড়া পর্যটকদের মধ্যে বেশিরভাগই ভারতীয় এবং বাংলাদেশি বলে জানা গিয়েছে,। নেপাল প্রশাসন ও ‘ট্রেকিং এজেন্সি অ্যাসোসিয়েশন অব নেপাল’ জানিয়েছে, আটকে পড়া সমস্ত পর্যটক, তাঁদের গাইড এবং পোর্টাররা নিরাপদে আছেন। তাঁদের হেলিকপ্টারে উদ্ধারের চেষ্টা করছে নেপাল সেনাবাহিনী। শুধু তাই নয়, গোটা পরিস্থিতির উপরেও কড়া নজর রাখা হচ্ছে।
জানা গিয়েছে, বুধি গণ্ডকী নদীতে হড়পা বানে প্রধান ট্রেকিং রুট এবং ঝুলন্ত সেতুগুলো ভেসে যাওয়ায় গোর্খা জেলার মানাসলু সংরক্ষণ এলাকায় পর্যটকরা আটকে পড়েছেন। মানাসলু সংরক্ষণ প্রকল্পের কর্মকর্তা ভুবনরাজ ওঝা সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, পর্যটকরা নিরাপদে আছেন। তাঁদের উদ্ধারের প্রচেষ্টা চলছে। মানাসলু সংরক্ষণ এলাকার প্রবেশপথ হিসেবে পরিচিত চুম নুব্রি পুরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের জগত এলাকায় শতাধিক বিদেশি পর্যটক আটকে পড়েছেন। শনিবার ৯৮ জন বিদেশি পর্যটক সংরক্ষিত এলাকায় পৌঁছে ছিলেন।
আরও পড়ুন:

ওঝা জানান, রাতের মধ্যে জাগাত-এ যারা পৌঁছাতে পেরেছেন সেখানে নিরাপদে আছেন। তাঁদের হেলিকপ্টারের মাধ্যমে উদ্ধারের চেষ্টা চলছে। হড়পা বানের ধাক্কায় মানাসলু যাওয়ার প্রধান ট্রেকিং পথ এবং ঝুলন্ত সেতুগুলোর ক্ষতি হওয়ায় পর্যটকদের চলাচল বন্ধ হয়েছে। চুম নুব্রি পুরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের লোকপা এলাকায় ১৭ জন পর্যটক উদ্ধারের অপেক্ষায় রয়েছেন। একইভাবে চুম উপত্যকা এলাকার ছেকামপারে আরও ৪০ জন পর্যটক রয়েছেন। নেপালের ট্রেকিং এজেন্সি অ্যাসোসিয়েশনের গণ্ডকী শাখার সভাপতি কৃষ্ণ প্রসাদ আচার্য জানান, পথে আটকা পড়া পর্যটক, পোর্টার এবং ট্রেকিং গাইডরা যেন নিরাপদে গন্তব্যে পৌঁছাতে পারেন সেটা নিশ্চিত করতে স্থানীয় প্রশাসন ও নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ রাখা হয়েছে।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
