রাজ্যের সব সরকারি ও সরকারপোষিত স্কুলে এবার পালন হবে ‘সংস্কৃত দিবস’। এ সপ্তাহের যে কোনও একদিন ‘সংস্কৃত দিবস’ পালনের নির্দেশ দিল রাজ্য স্কুলশিক্ষা দপ্তর। ২৫ থেকে ৩১ অগস্টের মধ্যে যে কোনও একদিন প্রাথমিক থেকে উচ্চমাধ্যমিক স্তরের সব স্কুলে এই কর্মসূচি পালন করতে হবে। মূলত ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে প্রাচীন ধ্রুপদী ভাষার প্রতি আগ্রহ বাড়াতেই এই সরকারি উদ্যোগ বলে জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, স্কুলগুলিতে প্রার্থনা সভায় অর্থসহ সংস্কৃত মন্ত্রপাঠ, সংস্কৃত কবিতা আবৃত্তি, গান, গল্প বলা এবং নাটকের মতো সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার আয়োজন করতে হবে। স্বাধীনতার পর রাজ্যে এই প্রথম সরকারিভাবে এমন উদ্যোগ নেওয়া হল।
এ প্রসঙ্গে রাজ্যের পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ বলেন, “পশ্চিমবঙ্গ থেকে সংস্কৃত ভাষাকে উৎখাত করে দেওয়া হয়েছিল। অসংস্কারি লোকেরা ঘুরে বেড়াচ্ছিল এতদিন, সংস্কৃত এলে সংস্কার হবে। ভারতীয় সংস্কৃতির পরম্পরা, ইতিহাস জানা যাবে এই ভাষার মধ্য দিয়ে। পশ্চিমবঙ্গকে বাংলাদেশ বানানোর চেষ্টা হচ্ছিল, তারই প্রক্রিয়া চলছিল এতদিন। এবার পরিবর্তন হওয়া উচিত, সংস্কৃত ভাষা প্রতিষ্ঠা হলে পরবর্তী প্রজন্মের মধ্যে সংস্কৃতি ফিরবে।”
আরএসএসের সংস্কৃতভারতীর পক্ষে অরুণকুমার চক্রবর্তীর কথায়, “ভারতকে জানতে গেলে সংস্কৃত জানাটা জরুরি।” সংস্কৃত দিবস পালনের জন্য কোনও স্কুল যদি স্বেচ্ছাসেবক চায়, তাহলে তারা সাহায্য করতে প্রস্তুত। তবে পঠনপাঠনের ক্ষতি হতে পারে—এই যুক্তিতে শিক্ষক মহলের একাংশ এই নির্দেশিকা নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন।
সর্বশেষ খবর
