বাংলার ‘বিগ বস’-এর ঘরে কখন, কী ঘটছে? প্রতিযোগীদের ভাব-ভালোবাসা থেকে বাকবিতণ্ডা, সবটাই এইমুহূর্তে দর্শকমহলের আতশকাচে। শুরু হতে না হতেই যে ‘বিগ বস’-এর ঘরে খেলা জমে ক্ষীর, তা বলাই বাহুল্য। কখনও টাস্ক নিয়ে দ্বন্দ্ব, কখনও বা রান্না নিয়ে, আবার কখনও বা ‘ক্যাপ্টেন’ ভরত কলের রোষানলে পড়তে হচ্ছে ‘কুঁড়ে’ প্রতিযোগীদের। এর মাঝেই ‘বিগ বস’-এর ঘরে রেশন-বাসন দুর্নীতি নিয়ে হই-হট্টগোল! কীরকম?
ডাগ আউট হাউজের সদস্যদের উৎপাতে তিতিবিরক্ত হয়ে ঘরের বাকি সদস্যরা তাঁদের বাসন দিতে নারাজ। অতঃপর পর্যাপ্ত রেশন থাকা সত্ত্বেও রান্না করা তো দূর অস্ত, খেতে অবধি পারছেন না ঝিলমরা। সৃজলা গুহ যদিও মধ্যস্থতা করতে চেয়ে অল্প কিছু বাসন দিতে চেয়েছিলেন, তবে…।
আরও পড়ুন:
ডাগ আউট হাউজে থাকা প্রতিযোগীদের সঙ্গে বাসন ভাগ করে নিতে নারাজ ‘বিগ বস’-এর ঘরের বাকি সদস্যরা। অতঃপর রেশন, আনাজপাতি থাকা সত্ত্বেও রান্না করে খাওয়া দায় হয়ে উঠেছে ঝিলম গুপ্ত, দুর্নিবার সাহা, জয়িতা চট্টোপাধ্যায়, তনুশ্রী, দীপেন্দু বিশ্বাসদের! এহেন ঘাত-প্রতিঘাতের সূত্রপাত অবশ্য ডাগ হাউজে থাকা প্রতিযোগীদের জন্যই। কারণ ঘর থেকে প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র চুরি করা তাঁরাই প্রথম শুরু করে। প্রথম দিন সবজি কাটার ছুরি, পরের দিন বেলন। ডাগ আউট হাউজের সদস্যদের উৎপাতে তিতিবিরক্ত হয়ে ঘরের বাকি সদস্যরা তাঁদের বাসন দিতে নারাজ। অতঃপর পর্যাপ্ত রেশন থাকা সত্ত্বেও রান্না করা তো দূর অস্ত, খেতে অবধি পারছেন না ঝিলমরা। সৃজলা গুহ যদিও মধ্যস্থতা করতে চেয়ে অল্প কিছু বাসন দিতে চেয়েছিলেন, তবে বাকিরা ডাগ আউট হাউজের প্রতিদ্বন্দ্বীদের দিকে সাহায্যের হাত বাড়াতে একেবারে নারাজ! এমতাবস্থায় দারুণ ফন্দি আঁটেন ঝিলম গুপ্ত।


পেট ভরাতে রাত-বিরেতে কমলালেবু চুরি করতে হয় ইনফ্লুয়েন্সারকে। হাতের কারসাজিতে একের পর এক কমলালেবু পরনে সিক্সপকেট প্যান্টে পুরে নেন তিনি। যদিও রাতে অল্প কিছু বাসন দেওয়া হয় তাদের, তবে ‘বিগ বস’-এর ঘরে ঝিলমের এহেন কর্মকাণ্ড দেখে পেটে খিল ধরার জোগাড় দর্শকমহলের। পয়লা দিন থেকেই প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে ‘বিগ বস’-এর ঘরে নজর কাড়ছেন ঝিলম গুপ্ত। এমনকী ‘লাফটারসেন’ নিরঞ্জন মণ্ডলের সঙ্গেও তাঁর বন্ধুত্বের রসায়নে মন মজেছে দর্শকের। এবার বাকি খেলা কোনদিকে গড়ায়? সেটাই দেখার অপেক্ষা। কারণ নিত্যদিনের টুইস্ট যেভাবে দর্শক, অনুরাগীদের চুম্বকের মতো ধরে রেখেছে, সেটা অবিশ্বাস্য! নেটভুবনও ‘বিগ বস’ময়। ঘরের কূটকচালির প্রতিটা মুহূর্ত বর্তমানে সোশাল পাড়ার চর্চায়। বিশেষ করে দর্শকের আতশকাচে জয়িতা চট্টোপাধ্যায়ের কর্মকাণ্ড।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
