‘বাবাই সব জানে’, পুজোর পাস দুর্নীতির তদন্তে ইন্দ্রনীলের দিকেই আঙুল মেয়ের

বৈশিষ্ট্যযুক্ত/FEATURED
Spread the love


পুজোর পাস দুর্নীতি মামলায় গ্রেপ্তার ইন্দ্রনীল সেনের কসবার বাড়ি ও চন্দননগরের বাংলোর উপর নজর লালবাজারের। এবার প্রাক্তন মন্ত্রী তথা গায়ককে সঙ্গে নিয়েই তাঁর কসবার বাড়িতে তল্লাশি চালান লালবাজারের সিট। একইসঙ্গে ইন্দ্রনীলকে চন্দননগরে তাঁর বাংলোয় নিয়ে যান লালবাজারের গোয়েন্দারা। সেখানেও চলে পুলিশের তল্লাশি। এদিকে, ইন্দ্রনীলের মেয়ে আভেরি সেন পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদের মুখে পড়ে সাফ জানিয়েছেন, জেরার মুখে তাঁর বাবার দিকেই আঙুল তুলেছেন। তদন্তকারীদের তিনি জানিয়েছেন, বাবা সবই জানেন। তিনি কিছু জানেন না।

বৃহস্পতিবারই ইন্দ্রনীল সেনের মেয়ে আভেরি সেনকে লালবাজারের গোয়েন্দারা তলব করেন। কীভাবে আভেরির দু’টি সংস্থায় ইন্দ্রনীলের একটি ঘনিষ্ঠ সংস্থা থেকে প্রায় সাড়ে ২২ লাখ টাকার লেনদেন হয়, তা নিয়ে তাঁকে প্রশ্ন করা হয়। পুজো পাস ও পর্যটন বিভাগের টেন্ডার নিয়ে দুর্নীতির ব‌্যাপারে প্রাক্তন মন্ত্রীর মেয়েকে বেশ কিছু প্রশ্নও করেন গোয়েন্দারা। তাঁর দু’টি সংস্থারও নথিপত্র গোয়েন্দা পুলিশ খতিয়ে দেখে। জেরার মুখে আভেরি পুলিশকে জানিয়েছেন, বাবা ইন্দ্রনীল সেন সব কিছুই জানেন। তিনি কিছুই জানেন না। তাঁকে যা করতে বলা হয়েছিল, তিনি সেটাই করেছেন।

আরও পড়ুন:

লালবাজার সূত্রে জানা গিয়েছে, ইউনেস্কোর নাম ভাঁড়িয়ে পুজোর প্রিভিউ পাস বিক্রির দুর্নতির মামলায় টাকা পাচার সংক্রান্ত বিভিন্ন নথি ইন্দ্রনীল সেনের বাড়িতে রয়েছে বলে খবর আসে। সেই সূত্র ধরেই শুক্রবার কসবার বহুতলে ইন্দ্রনীলকে নিয়ে যাওয়া হয়। তাঁকে নিয়েই কোথায় কোন নথি রয়েছে, তার সন্ধানে চালানো হয় তল্লাশি। একই সঙ্গে চন্দননগরের বাংলোয় পুলিশ ইন্দ্রনীলকে নিয়ে যায়। সেখানে সিটের আধিকারিকরা বেশ কিছু নথির সন্ধান চালান। লালবাজারের এক কর্তা জানান, এখনও পর্যন্ত পুজোর প্রিভিউ পাসের মামলায় ১৫০ কোটি টাকারও বেশি দুর্নীতির প্রমাণ মিলেছে। এই ব‌্যাপারে ইন্দ্রনীলের ঘনিষ্ঠ তিনটি সংস্থার কিছু নথি ইন্দ্রনীলের বাড়িতে রয়েছে বলে তাঁকে জেরা করে গোয়েন্দারা জানতে পারেন। সেই কারণেই কসবা ও চন্দননগরে চলে লালবাজারের ‘সিট’-এর তল্লাশি। সূত্রের খবর, বেশ কিছু নথি দু’টি জায়গা থেকেই উদ্ধার হয়েছে।

বৃহস্পতিবারই ইন্দ্রনীল সেনের মেয়ে আভেরি সেনকে লালবাজারের গোয়েন্দারা তলব করেন। কীভাবে আভেরির দু’টি সংস্থায় ইন্দ্রনীলের একটি ঘনিষ্ঠ সংস্থা থেকে প্রায় সাড়ে ২২ লাখ টাকার লেনদেন হয়, তা নিয়ে তাঁকে প্রশ্ন করা হয়। পুজো পাস ও পর্যটন বিভাগের টেন্ডার নিয়ে দুর্নীতির ব‌্যাপারে প্রাক্তন মন্ত্রীর মেয়েকে বেশ কিছু প্রশ্নও করেন গোয়েন্দারা। তাঁর দু’টি সংস্থারও নথিপত্র গোয়েন্দা পুলিশ খতিয়ে দেখে। জেরার মুখে আভেরি পুলিশকে জানিয়েছেন, বাবা ইন্দ্রনীল সেন সব কিছুই জানেন। তিনি কিছুই জানেন না। তাঁকে যা করতে বলা হয়েছিল, তিনি সেটাই করেছেন।

উল্লেখ‌্য, কিছুদিন আগেই ইন্দ্রনীলের স্ত্রী মধুছন্দাও লালবাজারে জেরার মুখে গোয়েন্দাদের জানান, তাঁর স্বামীই সব জানতেন। তিনি কিছুই জানেন না। এদিকে, ইন্দ্রনীল সেন দাবি করেছেন, ‘মাস আর্টে’র সেক্রেটারি ধ্রুবজ্যোতি বসু তথা শুভ পুরো লেনদেনের বিষয়টি দেখতেন। তাঁর মাধ‌্যমেই যাবতীয় লেনদেন হত। তিনিই ‘কিংপিন’। যদিও ইন্দ্রনীলের দাবি পুলিশ খতিয়ে দেখছে। ইতিমধ্যেই শুভ পুলিশের হেফাজতে। তাঁকে জেরা করা হচ্ছে। দুর্নীতির মামলায় ইন্দ্রনীলদের এমপিও ও দুর্নীতিদমন আইনের ধারা লাগু করার জন‌্য প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *