ওয়ার্ডভিত্তিক কো-অর্ডিনেটর নিয়োগ! আদালতের নির্দেশে পুরভোট পিছিয়ে যেতেই ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

স্বাস্থ্য/HEALTH
Spread the love


কলকাতা হাই কোর্টের নির্দেশে আপাতত কলকাতা ও হাওড়ায় পুরভোট হচ্ছে না। তাতে নাগরিক পরিষেবা আরও তলানিতে পৌঁছে যাওয়ার আশঙ্কা। এই সমস্যা কাটাতে পুর আইন মেনে কো-অর্ডিনেটর নিয়োগের ঘোষণা করে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। ৩০ নভেম্বরের পর মহানগরের সব ওয়ার্ডে এই কো-অর্ডিনেটর নিয়োগ করা হবে। শুক্রবার রাতে বউবাজারে শিল্পমন্ত্রী তাপস রায়ের কালীপুজো উদ্বোধনে এসে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘‘কো-অর্ডিনেটর অর্থাৎ সমন্বয়কদের ক্ষমতা কাউন্সিলরদের সমতুল্য হবে।’’

মুখ‌্যমন্ত্রী বলেন, ‘‘আমরা চেয়েছিলাম দ্রুত নির্বাচিত বোর্ডের হাতে পুরসভার ক্ষমতা তুলে দিতে। তাতে মানুষ অন্তত পরিষেবাটা পেতেন ঠিকমতো। কিন্তু কেউ কেউ অবকাশকালীন বেঞ্চে ভোটটা আটকাতে গেছেন। আপনারা জিততে পারবেন না, তাই ভোট আটকাতে চান? ঠিক আছে, ৩০ নভেম্বরের পরে কলকাতার পৌর আইনের নিয়ম মেনে শহরের ২০৯টি ওয়ার্ডেই আমি কো-অর্ডিনেটর নিয়োগ করে দেব, যাঁদের নিয়ে প্রশাসক কাজ করবেন। আইনে এটা পরিষ্কার লেখা আছে।’’

আরও পড়ুন:

এরপরই বিরোধীদের নিশানা করে মুখ‌্যমন্ত্রী বলেন, ‘‘আমরা চেয়েছিলাম দ্রুত নির্বাচিত বোর্ডের হাতে পুরসভার ক্ষমতা তুলে দিতে। তাতে মানুষ অন্তত পরিষেবাটা পেতেন ঠিকমতো। কিন্তু কেউ কেউ অবকাশকালীন বেঞ্চে ভোটটা আটকাতে গেছেন। আপনারা জিততে পারবেন না, তাই ভোট আটকাতে চান? ঠিক আছে, ৩০ নভেম্বরের পরে কলকাতার পৌর আইনের নিয়ম মেনে শহরের ২০৯টি ওয়ার্ডেই আমি কো-অর্ডিনেটর নিয়োগ করে দেব, যাঁদের নিয়ে প্রশাসক কাজ করবেন। আইনে এটা পরিষ্কার লেখা আছে।’’

কলকাতা পুরসভার আসন পুনর্বিন্যাস (ডিলিমিটেশন) নিয়ে আপত্তি তুলে বিরোধীদের মামলার জেরে শুক্রবার হাই কোর্টের নির্দেশে অস্বস্তিতে পরে রাজ্য সরকার। ১৪৪টি ওয়ার্ড ভেঙে ২০৯টি করায় বিন‌্যাস ঠিক হয়নি – এই অভিযোগ তুলে মামলাটি করেন কসবার প্রাক্তন সিপিএম কাউন্সিলর দীপু দাস। সেই মামলার রায়ে শুক্রবার সকালে বিচারপতি সব্যসাচী ভট্টাচার্য এবং বিচারপতি অর্জুন রায় মুখোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চ রাজ‌্য নির্বাচন কমিশনকে আদালত নির্দেশ দেয়, ‘‘ওয়ার্ড পুনর্বিন্যাস মামলার নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত কলকাতা পুরভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণা করা যাবে না।’’ স্বভাবতই প্রথমে নভেম্বরের ২৮ ও পরে ২০ ডিসেম্বর কলকাতা ও হাওড়ায় পুরভোটের যে প্রস্তুতি নিয়েছিল কমিশন তা পিছিয়ে যায়।

আইনজীবীদের মত, জাতীয় নির্বাচন কমিশনের চূড়ান্ত ভোটার তালিকা যেহেতু ১৬ জানুয়ারি প্রকাশ হবে তাই হাই কোর্টের মামলা মিটলে নতুন বছরে পুরভোট হওয়ার সম্ভবনা। মামলাকারীর আইনজীবীর পাশাপাশি সিপিএম, কংগ্রেস ও মমতা তৃণমূলের অভিযোগ ছিল, বিজেপিকে সুবিধা পাইয়ে দিতে ডিলিমিটেশনের নামে অনৈতিক পুনর্বিন‌্যাস হয়েছিল।

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *