প্রোটিন পাউডার খেলেই পেট ব্যথা! কেনার সময় এই ভুলগুলি করছেন না তো?

প্রোটিন পাউডার খেলেই পেট ব্যথা! কেনার সময় এই ভুলগুলি করছেন না তো?

স্বাস্থ্য/HEALTH
Spread the love


জিম জয়েন করেছেন? সম্প্রতি খাদ্য তালিকায় জুড়ে গিয়েছে প্রোটিন পাউডার (protein powder)? কিন্তু এখন মনে হচ্ছে, টাকা জলে গেল! সকলের দেখাদেখি আপনিও দামী প্রোটিন পাউডার কিনেছেন বটে, তবে তা বাকিদের ক্ষেত্রে যেমন কার্যকরী হচ্ছে, আপনার তা হচ্ছে না। বরং দেখা দিচ্ছে নানা শারীরিক সমস্যা। তবে কি খাওয়াই ছেড়ে দিতে হবে? হয়তো তা নয়। ডায়েটেশিয়ানরা বলছেন, এমনটা প্রায়শই হয়ে থাকে যদি প্রোটিন পাউডার কেনার ক্ষেত্রে এই নির্দিষ্ট কিছু বিষয় মাথায় না রাখেন। কী কী বিষয়? জেনে নেওয়া যাক।

which mistakes to avoid while buying protein powder
আচমকা বিপুল পরিমাণে প্রোটিন পাউডার খেতে শুরু করলে স্বাভাবিকভাবেই শরীরে সহ্য হয় না

আরও পড়ুন:

১। ধরা যাক, এতদিন পর্যন্ত একেবারেই এই পাউডার খেয়ে অভ্যস্ত ছিলেন না। শরীরে প্রোটিনের ঘাটতিও তাই চোখে পড়ার মতো। কিন্তু এই অবস্থা থেকে যদি আচমকা বিপুল পরিমাণে প্রোটিন পাউডার খেতে শুরু করেন, তবে স্বাভাবিকভাবেই শরীরের পক্ষে তা সহ্য করা সম্ভব হবে না। এই প্রবণতা নিরামিষভোজী মানুষদের ক্ষেত্রে বেশি দেখা যায়। মাংস-ডিম না খাওয়ার ফলে অনেক সময়েই প্রোটিন ডেফিসিয়েন্সিতে ভোগেন তাঁরা।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শুরু করুন মাত্র এক স্কুপ দিয়ে! তা হজম করতে পারলে, ধীরে ধীরে পরিমাণ বাড়ান। সময় লাগুক, তাড়াহুড়ো করবেন না। নতুন অভ্যাসের সঙ্গে শরীরকে মানিয়ে নিতে সময় দিন।

২। প্রোটিনের মতোই প্রয়োজন ফাইবারেরও। খাদ্যতালিকায় যদি আচমকা প্রোটিনের মাত্রা বেড়ে যায়, তবে হজমের সমস্যা দেখা দিতে পারে। পেট ফেঁপে যেতে পারে, হতে পারে কোষ্ঠকাঠিন্যও। তাই প্রোটিন পাউডার খেলে, অবশ্যই ফাইবার যুক্ত খাবার রাখুন প্রতিদিনের ডায়েটে। প্রচুর পরিমাণে সবজি, ফল, ডাল ও বাদাম খাওয়া গেলে এই সমস্যা এড়ানো যায়।

একই কারণে পান করতে হবে প্রচুর জল। ১০০ গ্রাম প্রোটিন হজম করতে চাইলে অন্ততপক্ষে ২-৩ লিটার জল পান করতেই হবে। যে কোনও খাবারই হজম ঠিকমতো না হলে, তাতে শরীরের কোনও লাভ নেই।

which mistakes to avoid while buying protein powder
সাপ্লিমেন্ট ফুড কখনও অরগ্যানিক খাবারের বিকল্প হতে পারে না

৩। কোনও সাপ্লিমেন্ট ফুডই কখনও অরগ্যানিক খাবারের বিকল্প হতে পারে না। তাই যতক্ষণ পর্যন্ত সম্ভব, নির্ভর করা উচিত প্রাকৃতিক খাবারের উপরেই। ডিম, মাংস, মাছ, বিভিন্ন ধরনের ডাল, ড্রাই ফ্রুট, দুধ অবশ্যই নিয়মিত খাওয়া উচিত। প্রতিদিন কত পরিমাণ খাওয়া যেতে পারে, সে বিষয়ে অভিজ্ঞ ডায়েটেশিয়ানের পরামর্শ নেওয়া যেতে পারে। নিরামিষভোজীরা এই ঘাটতি পূরণ করতে পারেন মুসুরির ডাল, পনির, টোফু, সোয়াবিন খেয়ে।

মনে রাখবেন, কোনও খাবারেই ম্যাজিক নেই। শরীরে পরিবর্তন আসতে সময় লাগবেই। তাই দ্রুত প্রোটিন বাড়াতেই যে সাপ্লিমেন্টের শরণাপন্ন হতে হবে, তেমন নয়।

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *