‘ধরি ধরি মনে করি…’, বহু বছর পর দামোদরে ইলিশ, ধরেও রাখতে পারলেন না জেলে!

বৈশিষ্ট্যযুক্ত/FEATURED
Spread the love


দীর্ঘকাল পর বর্ধমানে দামোদর নদে জালে উঠল ইলিশ! শনিবার আচমকা এই রুপোলি শস্য প্রাপ্তিতে মৎস্যজীবীদের আনন্দ বেশিক্ষণ স্থায়ী হল না! এদিন সকালে পূর্ব বর্ধমানের খণ্ডঘোষের বেলডাঙা এলাকায় এক মৎস্যজীবীর জালে অন্যান্য মাছের সঙ্গে ২টি ইলিশ মাছ ধরা পড়ে। জাল থেকে ছাড়ানোর সময় একটি মাছ ফাঁক গলে জলে পড়ে যায়। একটি কোনওক্রমে ধরে রেখে বাড়ি নিয়ে গিয়েছেন মৎস্যজীবী সনাতন সরকার। জীবনে প্রথম দামোদর থেকে ইলিশ পেয়ে খুব খুশি তিনি।

শনিবার ডিঙি নৌকায় নিয়ে দামোদর নদে মাছ ধরতে গিয়েছিলেন সনাতন। তিনি জানান, জালে দুটি ইলিশ ওঠে। জাল থেকে ছাড়াতে গিয়ে একটি ইলিশ হাত ফসকে ফের নদীতে ফিরে যায়। একটি তিনি রাখতে সমর্থ হন। তার ওজন প্রায় ৮০০ গ্রাম। সনাতনের কথায়, ‘‘আমার জীবনে দামোদরে জালে ইলিশ মাছ পেলাম। আর কেউ পেয়েছে বলেও শুনিনি।” তিনি অবশ্য ইলিশ মাছটি বিক্রি করেননি। বাড়ি নিয়ে গিয়েছেন খাবেন বলে। তিনি জানান, বাড়ির উঠোনে মাছটি নামানোর পরেও নড়ছিল। দামোদরে পূর্বতন বর্ধমান বা পূর্ব বর্ধমান জেলায় বহু যুগ আগে ইলিশের দেখা মিলত। দূষণ-সহ বিভিন্ন কারণে দামোদরে পরবর্তীতে আর সেভাবে ইলিশের দেখা মেলেনি।

আরও পড়ুন:

দামোদর থেকে মৎস্যজীবীর জালে ইলিশ, নিজস্ব ছবি

২০২৪ সালের ৪ অক্টোবর জামালপুরের জোড়াবাঁধ এলাকার উত্তর মোহনপুরের মৎস্যজীবী কাজল দাসের জালে দামোদরের ইলিশ ধরা পড়েছিল। কেজি খানেক ওজনের সেই ইলিশ প্রায় আড়াই হাজারে বিক্রি করেছিলেন আড়তে। তারপর শনিবার মৎস্যজীবী সনাতনের জালে উঠল রুপোলি শস্য। দামোদর নদ ভাগীরথী বা হুগলি নদীতে মিশেছে। বর্ষার মরশুমে ভাগীরথী হয়ে আগে বহু ইলিশ দামোদরে আসত। কোলাঘাট এলাকায় বেশি ইলিশ মাছ ধরা পড়ে। পরিবেশ অনুকূল না থাকায় পূর্ব বর্ধমানের দিকে ইলিশ আসা বন্ধ হয়ে যায়। ফের ইলিশের দেখা মেলায় মৎস্যজীবীদের আশা, ভবিষ্যতে ইলিশের সংখ্যা বাড়বে। লাভবান হবেন মৎস্যজীবীরা।

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *