ইরান সমর্থিত ইয়েমেনের বিদ্রোহী গোষ্ঠী হাউথির সঙ্গে সৌদি আরবের সংঘর্ষ ক্রমশ ভয়ংকর রূপ ধারণ করছে। এই পরিস্থিতিতে শনিবার সকালে ভয়ংকর বিস্ফোরণে কেঁপে উঠল বিয়াধ বিমানবন্দর। জানা যাচ্ছে, তার কিছুক্ষণ আগেই রিয়াধজুড়ে সতর্কতা জারি করা হয়েছিল। মনে করা হচ্ছে, এই বিস্ফোরণের নেপথ্যে হাউথিদেরই হাত রয়েছে।
একাধিক সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, হাউথিদের সঙ্গে সংঘাত শুরুর পর শনিবার প্রথম রিয়াধে সতর্কতা জারি করে প্রশাসন। এর কয়েক ঘণ্টা কাটতে না কাটতেই আচমকা বিস্ফোরণে কেঁপে ওঠে রিয়াধের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর। জানা গিয়েছে, বিমানবন্দর চত্বরে থাকা একটি জ্বালানি ভাণ্ডারে আছড়ে পড়ে ড্রোন। এরপরই ভয়ংকর বিস্ফোরণ হয়। কালো ধোঁয়ার চাদরে ঢেকে যায় আকাশ। তড়িঘড়ি ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দমকল। শুরু হয় আগুন নেভানোর কাজ। বিস্ফোরণের জেরে বিমানবন্দরে ব্যাহত হয় বিমান পরিষেবা। এই ঘটনার পর রিয়াধের আরও কয়েকটি স্থানে বিস্ফোরণ হয় বলে সূত্রের খবর।
আরও পড়ুন:
গত সপ্তাহ থেকে সৌদি আরবে ভয়ংকর হামলা শুরু করেছে হাউথিরা। বাব-আল-মান্দেব প্রণালী ও মোখা বন্দর এখন হাউথিদের নিয়ন্ত্রণে। হরমুজে ঝুঁকি বাড়ায় এই প্রণালীই এখন সৌদির তেল রপ্তানির প্রধান পথ। আপাতত যা বন্ধ। সৌদির একের পর এক শহরে চলছে হামলা। আক্রমণের মুখে পড়েছে মক্কাও। এই পরিস্থিতিতে সৌদি আমেরিকার সাহায্য চাইলেও ওয়াশিংটন স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, তারা সামরিক সাহায্য করবে না। এই ইস্যুতে গত রবিবার ওমানের রাজধানী মাস্কাটে আমেরিকার দূতাবাসে মার্কিন আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক হয়েছে হাউথির। সেখানে হাউথিরা জানিয়েছে, মার্কিন জাহাজে তারা কোনও হামলা করবে না এবং ২০২৫ সালের যুদ্ধ বিরতি মেনে চলবে তারা।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
