প্রশ্নফাঁস নিয়ে কঠোর আইন প্রণয়নের পথে একধাপ এগোল কেন্দ্র। বৃহস্পতিবার রাতেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সাফ জানিয়েছিলেন, তরুণদের ভবিষ্যৎ নিয়ে ছিনিমিনি খেললে রেহাই মিলবে না। প্রশ্নফাঁসকে ইতিমধ্যেই ঘোর পাপ বলে আখ্যা দিয়েছিলেন। এবার সেই পাপের যোগ্য সাজা নিশ্চিত করার পথে একধাপ এগোল তাঁর সরকার। প্রশ্নফাঁস আইন সংশোধনীতে সায় দিল কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা। চলতি বাদল অধিবেশনেই সেই সংশোধনী পেশ হতে পারে।
গত ৩ মে ডাক্তারির সর্বভারতীয় পরীক্ষা হয়। লক্ষ লক্ষ পড়ুয়া পরীক্ষায় বসে। কিন্তু সপ্তাহখানেকের মধ্যেই প্রকাশ্যে আসে প্রশ্নফাঁসের খবর। বাধ্য হয়ে পরীক্ষা বাতিল করে এনটিএ। হতাশায় বহু পড়ুয়া আত্মঘাতী হন। দেশজুড়ে দাবি ওঠে, পদত্যাগ করুন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। ঘটনার তীব্র নিন্দা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রশ্ন ফাঁসটা ঘোর পাপ হয়েছে। তবে প্রশ্ন ফাঁসের ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই সরকার পদক্ষেপ করেছে। ১৩ জন অভিযুক্তকে ইতিমধ্যেই জেলে পাঠানো হয়েছে।
তবে এখানেই শেষ নয়, প্রশ্নফাঁস মামলায় তদন্ত করার জন্য ফাস্ট ট্র্যাক আদালত তৈরির নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী। সঙ্গে জানান, এই অপরাধ রুখতে কড়া আইন আনা হবে। সেই আশ্বাস পূরণ করে শুক্রবার ক্যাবিনেটে পেশ করা হয় পাবলিক এক্সামিনেশন (প্রিভেনশন অফ আনফেয়ার মিনস) অ্যাক্ট, ২০২৪ সংশোধনী বিল। শুক্রবার এই বিল পাশ হয়েছে মন্ত্রিসভায়। চলতি বাদল অধিবেশনে সংশোধনী বিল পেশ হবে।
সর্বশেষ খবর
