১৩৬ তম ‘মন কি বাত’ অনুষ্ঠানে দেশবাসীর উদ্দেশে বার্তা দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। কারগিল বিজয় দিবসে শহিদ সেনাদের শ্রদ্ধা জানানোর পাশাপাশি মোদির বার্তায় উঠে এল আত্মনির্ভর ভারত, প্রতিরক্ষা ও ক্রীড়াক্ষেত্রে সাফল্যের কথা। শুধু তাই নয়, যুবসমাজের প্রশংসা করে মোদি বলেন, আমাদের যুবসমাজ ভারতের নাম গোটা বিশ্বে উজ্জ্বল করছে।
মন কি বাত অনুষ্ঠানের শুরুতেই কারগিল বিজয় দিবসের কথা তুলে ধরে মোদি বলেন, ‘২৬ জুলাই দিনটিকে মনে রাখার জন্য ক্যালেন্ডার দেখার প্রয়জন পড়ে না। কারগিল বিজয় দিবস আমাদের কাছে গর্বের দিন। এই দিন আমাদের দেশের বীর জওয়ানদের আসীম সাহস ও আত্মত্যাগের কথা মনে করায়। দেশের জন্য আত্মবলিদান দেওয়া সেই সব বীর সেনাদের আমি শ্রদ্ধা জানাই।’ প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে উঠে আসে আত্মনির্ভর ভারতের প্রতিরক্ষা সক্ষমতার কথা। তিনি বলেন, আইএনএস মহেন্দ্রগিরি ভারতীয় নৌসেনায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। এই যুদ্ধ জাহাজের ৭৫ শতাংশ উপকরণ দেশীয়। একইসঙ্গে ডিআরডিও-র পিনাকা লং রেঞ্জ গাইডেড রকেট এবং কুশা ক্ষেপণাস্ত্র-এর সফল পরীক্ষার কথাও উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী। বিশ্বজুড়ে ভারতের ব্রহ্মোস ও অন্যান্য দেশীয় অস্ত্রের চাহিদা যে বাড়ছে সে কথাও জানাতে ভোলেননি মোদি।
আরও পড়ুন:
যুবসমাজের প্রশংসা করে মোদি বলেন, আমাদের যুবসমাজ ভারতের নাম গোটা বিশ্বে উজ্জ্বল করছে।
এছাড়াও দেশের যুবশক্তির প্রশংসায় পঞ্চমুখ হতে দেখা যায় প্রধানমন্ত্রীকে। বেসরকারি রকেট ‘বিক্রম-১’-এর উৎক্ষেপণ এবং আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান অলিম্পিয়াডে ভারতীয় পড়ুয়াদের অভূতপূর্ব পদক জয়কে তিনি দেশের যুবশক্তির বড় সাফল্য বলে আখ্যা দেন। মোদি বলেন, ‘বিশ্বজুড়ে ভারতের মান বাড়িয়ে চলেছে দেশের যুবসমাজ।’ ক্রীড়াক্ষেত্রে ভারতীয়দের সাফল্যের উদাহরণস্বরূপ ব্যাডমিন্টন তারকা পিভি সিন্ধুর কথা তুলে ধরেন মোদি। জাপান ওপেন ব্যাডমিন্টনে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিলেন তিনি। লর্ডসে ভারতের মহিলা ক্রিকেট দলের প্রথম টেস্ট জয়ের কথাও তুলে ধরেন তিনি।
এছাড়াও ‘ভোকাল ফর লোকাল’ নীতিতে জোর দিয়ে কাশ্মীরের ঐতিহ্যবাহী ‘ভাগু’ মাদুর, খাদি এবং দেশীয় হস্ততাঁত ব্যবহারের আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী। আসন্ন স্বাধীনতা দিবসে ‘হর ঘর তিরঙ্গা’ অভিযান সফল করতে এবং গণেশ পুজোয় পরিবেশবান্ধব দেশীয় মাটির মূর্তি ব্যবহারের আর্জিও জানিয়েছেন।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
