২ হাজারের উপর ইউপিআই লেনদেন করলেই গুণতে হবে অতিরিক্ত ফি। তবে সেই ফি যেন আমজনতার পকেট থেকে না যায় সেটা নিশ্চিত করতে চাইছে মোদি সরকার, এমনটাই সূত্রের খবর। নতুন নিয়মাবলি প্রকাশ্যে আসার পর কংগ্রেস প্রশ্ন তুলেছিল, ব্যবসায়ীরা এই অতিরিক্ত ফি আদায় করার জন্য আমজনতার উপরেই চাপ দেবে। সূত্রের খবর, সেটা আটকাতেই কড়া নজরদারির পথে হাঁটতে চলেছে কেন্দ্র। ব্যাঙ্কগুলিকেও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে খবর।
ডিজিটাল ইন্ডিয়া গড়তে ক্যাশলেস ইকোনমিতে জোর দিয়েছিল মোদি সরকার। কিন্তু এমডিআর বসানোর ফলে অনলাইন লেনদেনে বিরাট ধাক্কা লাগতে পারে, এমনটাই মনে করেছে ব্যবসায়ী মহল। কংগ্রেস এই সিদ্ধান্তের তুমুল সমালোচনা করে দাবি করেছে, আগামী দিনে সমস্ত অনলাইন পেমেন্টে ফি বসানোর জন্য রাস্তা তৈরি করে ফেলল কেন্দ্র। ব্যবসায়ীদের উপর কর বসানো হলে সেটা শেষ পর্যন্ত আমজনতার পকেট থেকেই উশুল হবে সেটা কেন্দ্র অবশ্যই জানে, এমনটাই তোপ কংগ্রেসের।
আরও পড়ুন:
বিরোধীদের এই অভিযোগ যেন সত্যি না হয়, সেটা রুখতে চাইছে কেন্দ্র। ২০০০ টাকার বেশি লেনদেনের উপর ০.৪ শতাংশ এমডিআর বসানো হবে। এই অর্থ কাটা হবে ব্যবসায়ীদের থেকেই। অনেকের আশঙ্কা, এই বাড়তি অর্থ মেটানোর জন্য পণ্যের বিলে আলাদা করে ইউপিআই চার্জ বসাতে পারে ব্যবসায়ীরা। সূত্রের খবর, এমন ঘটনা যেন না ঘটে সেটা নিশ্চিত করতে একাধিক বৈঠক করছেন কেন্দ্রীয় প্রতিনিধিরা। ব্যাঙ্কগুলিকে বলা হয়েছে, আগামী ১৫ অক্টোবর থেকে প্রত্যেকদিন নজর রাখতে হবে যেন ইউপিআই লেনদেনের জন্য আমজনতাকে ভুগতে না হয়।
উল্লেখ্য ১৯৯৯ টাকা পর্যন্ত ব্যবসায়িক লেনদেনে এমডিআর বসানো হয়নি। দৈনন্দিন জীবনের ৯৫ শতাংশ ব্যবসায়িক লেনদেনই দু’হাজার টাকার কম, বলছে পরিসংখ্যান। ব্যক্তিগত লেনদেনের পরিমাণ যতই হোক না কেন তার উপর কোনও ফি বসানো হয়নি এখনও। কেন্দ্র মনে করছে, এমডিআর চালু হলেও অনলাইনে কেনাকাটার হার কমবে না। আমজনতাকে আশ্বস্ত করে নজরদারি চালাতে চাইছে মোদি সরকার। কিন্তু কীভাবে এই নজরদারি চলবে, তা এখনও স্পষ্ট নয়।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
