‘কানে বাজছে আর্তনাদ’, বলছেন প্রতিবেশী তরুণীরা, দিল্লিতে বাড়ি ভাঙার ভয়ংকর ভিডিও ভাইরাল

বৈশিষ্ট্যযুক্ত/FEATURED
Spread the love


দিল্লির সত্য নিকেতনে বাড়ি ভেঙে মৃত্যু হয়েছে ৭ জনের। তদন্ত যত এগোচ্ছে তত স্পষ্ট হচ্ছে, নিয়ম কানুনকে বুড়ো আঙুল দেখানোই দুর্ঘটনার কারণ। মঙ্গলবার সামাজিকমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে ছ’তলা বাড়িটির হুড়মুড় করে ভেঙে পড়ার ভয়ংকর ভিডিও। যে দেখে আঁতকে উঠছে নেটপাড়া।

বাড়িটি সম্পূর্ণভাবে ভেঙে পড়ার আগে দেওয়ালে চিড় ধরতে শুরু করে। সেই দৃশ্য ভিডিও করেন প্রতিবেশী হস্টেলের বাসিন্দা দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই ছাত্রী অর্নিকা এবং মানসী। ভিডিওতে শোনা গিয়েছে অর্নিকা বলছেন ‘মনে হচ্ছে বাড়িটা এখনও ভেঙে পড়বে’। কয়েক মুহূর্ত পরে ‘হস্টেলডেজ’ মেসবাড়িটি বাস্তবেই হুড়মুড় করে ভেঙে পড়ে। অর্নিকা ও মানসী পাশেই ‘কনক লতা’ নামে মহিলাদের মেসবাড়িতে থাকেন। তাঁরা বলেন, “হস্টেলডেজ ভেঙে পড়ার সময় ঘরেই ছিলাম। ভেঙে পড়ার ঠিক আগে বুঝতে পারি ভয়ংকর কিছু ঘটতে চলেছে। তখনই ভিডিও করি। যদিও এরপর ঘরে থাকিনি। ভয় পেয়ে তড়িঘড়ি বাড়ি থেকে বেরিয়ে ফাঁকা জায়গায় আশ্রয় নিয়েছিলাম।”

আরও পড়ুন:

অর্নিকা ও মানসী বলেন, “চোখের সামনে বিরাট বাড়িটাকে ভাঙতে দেখে ভয়ংকর আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে পড়েছিলাম। মনে হচ্ছিল আমাদের বাড়িটাও হয়তো এক্ষুনি ভেঙে পড়বে। আর্তনাদ করে ছুটতে ছুটতে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যাই। আবাসিক অনেক ছাত্রী বুঝতে পারছিল না আমরা কেন ভয় পেয়েছি।” মানসী বলেন, “ভেঙে পড়া বাড়ির ইটের টুকরো জানলা দিয়ে ছিটকে আমার বিছানায় এসে পড়ছিল। ভাগ্যিস তখন বিছানায় ছিলাম না!”

আরও পড়ুন:

অর্নিকা ও মানসী জানিয়েছেন, তাঁদের বাড়ির সদর দরজা ধ্বংসস্তূপে আটকে গিয়েছিল। একসঙ্গে অনেকে মিলে ধাক্কা দিয়ে কোনও মতে ওই দরজা খোলা হয়। এরপর তাঁরা নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজ করেন। দুই তরুণী এখনও বিশ্বাস করতে পারছেন না, পাশের বাড়ি সমবয়সি যুবকরা মারা গিয়েছেন। “ধ্বংসস্তূপ চাপা পড়ে করুণ আর্তনাদে সাহায্য চাওয়া ছেলেদের গলার স্বর মাথায় ভিতরে বাজছে”, বলেন মানসী। উল্লেখ্য, ‘হস্টেলডেজ’ ভাঙার পর মেয়েদের হস্টেল ‘কনক লতা’ ভাঙারও নির্দেশ দিয়েছে দিল্লি পৌরনিগম। বাধ্য হয়ে অন্য কোথাও ঠাঁই খুঁজছেন ছাত্রীরা।

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *