Yemen | ইয়েমেনে রক্তক্ষয়ী সংঘাত! হুথির ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় নিহত অন্তত ৩০ সেনা

Yemen | ইয়েমেনে রক্তক্ষয়ী সংঘাত! হুথির ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় নিহত অন্তত ৩০ সেনা

শিক্ষা
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ অনলাইন ডেস্ক: আমেরিকা-ইরান যুদ্ধ পরিস্থিতির আবহে এবার পশ্চিম এশিয়ায় নতুন করে তীব্র সংঘাতের ক্ষেত্র তৈরি হল। ইয়েমেনের (Yemen) মধ্যাঞ্চল ও পূর্বাঞ্চলে সরকারি নিরাপত্তা বাহিনীর ঘাঁটিতে এক বিশাল মাপের অতর্কিত হামলা চালিয়েছে ইরান-সমর্থিত হুথি বিদ্রোহী গোষ্ঠী (Houthi Rebels)। ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ব্যবহার করে চালানো এই ধারাবাহিক হামলায় অন্তত ৩০ জন সেনা নিহত এবং অর্ধশতাধিক সেনা আহত হয়েছেন। মারিব ও হাদরামাউত প্রদেশে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারের সামরিক ক্যাম্পগুলো লক্ষ্য করে এই হামলা চালানো হয়। পরিস্থিতি যেদিকে এগোচ্ছে, তাতে হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

হুথি সামরিক মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইয়াহিয়া সারি এই হামলার দায় স্বীকার করে জানিয়েছেন, পূর্ব ইয়েমেনে সৌদি-সমর্থিত (Saudi Arabia) সামরিক শক্তির অবস্থান বৃদ্ধির পালটা জবাব হিসেবেই তারা এই আক্রমণ চালিয়েছে। তাঁর দাবি, এই হামলায় সৌদি পক্ষের শত শত যোদ্ধা হতাহত হয়েছে এবং তাদের বহু সামরিক ঘাঁটি, গোলাবারুদ ও অস্ত্রভাণ্ডার সম্পূর্ণ ভস্মীভূত হয়েছে। পাশাপাশি, এলাকা থেকে সেনা ও নিরাপত্তা রক্ষীরা সরে না গেলে কেউ বাঁচবে না বলে চরম হুঁশিয়ারি দিয়েছে হুথি গোষ্ঠী। অন্যদিকে, ইয়েমেনে নিযুক্ত মার্কিন মিশন এই ভয়াবহ আক্রমণের তীব্র নিন্দা জানিয়ে একে সাধারণ মানুষের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক সন্ত্রাসবাদের আরও একটি জ্বলন্ত উদাহরণ বলে অভিহিত করেছে।

উল্লেখ্য, ২০১৪ সালে হুথি বিদ্রোহীরা রাজধানী সানা দখল করে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারকে দেশছাড়া করলে ইয়েমেনে রক্তক্ষয়ী গৃহযুদ্ধ শুরু হয়। এর পর ২০১৫ সাল থেকে সেই সরকারকে পুনরায় ক্ষমতায় ফেরাতে সৌদি আরবের নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট এই যুদ্ধে হস্তক্ষেপ করে। গাজার হামাস, লেবাননের হিজবুল্লা ও ইরাকের বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠীর মতোই হুথিও তেহরানের ‘অ্যাক্সিস অফ রেজিস্ট্যান্স’ বা যৌথ প্রতিরোধমূলক কর্মসূচির অন্যতম অংশ। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) এবং সৌদি-মদতপুষ্ট ইয়েমেনের সুন্নি সরকার হুথিদের দমনে ধারাবাহিক অভিযান চালিয়ে গেলেও, রাজধানী সানা-সহ উত্তর ইয়েমেনের বিভিন্ন অংশ এখনও এই বিদ্রোহী গোষ্ঠীর দখলেই রয়েছে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *