উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক: রাজ্যজুড়ে জাঁকিয়ে শীত পড়েছে। উত্তরের হিমেল হাওয়ায় জবুথবু অবস্থা সাধারণ মানুষের। ঘরে ঘরে এখন জ্বর, সর্দি আর কাশির দাপট। আবহাওয়া পরিবর্তনের এই সময়ে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বা ‘ইমিউনিটি’ কমে যাওয়ায় অনেকেই বারবার অসুস্থ হয়ে পড়ছেন। চিকিৎসকদের মতে, সুস্থ থাকতে কেবল গরম কাপড় পরলেই হবে না, নজর দিতে হবে প্রতিদিনের খাদ্যতালিকাতেও। তেল-ঝাল-মশলা এড়িয়ে এই পাঁচ খাবার ডায়েটে রাখলে মিলবে দীর্ঘমেয়াদী উপকার (Winter Immunity Booster)।
রসুন
ভাইরাসজনিত রোগের বিরুদ্ধে লড়াই করতে রসুনের জুড়ি মেলা ভার। সকালে খালি পেটে এক কোয়া কাঁচা রসুন খেলে ফ্লু বা গলা ব্যথার সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। কাঁচা খেতে অসুবিধা হলে রান্নায় রসুনের ব্যবহার বাড়াতে পারেন।
কাঁচা হলুদ
কাঁচা হলুদ প্রাকৃতিক অ্যান্টিসেপটিক হিসেবে পরিচিত। এতে থাকা কারকিউমিন প্রদাহ নাশ করতে এবং শরীরকে যেকোনো সংক্রমণ থেকে রক্ষা করতে সাহায্য করে। রোজ সকালে সামান্য কাঁচা হলুদ চিবিয়ে বা দুধের সঙ্গে মিশিয়ে খেলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বহুগুণ বেড়ে যায়।
ভিটামিন সি সমৃদ্ধ ফল
শরীরের স্বাভাবিক সুরক্ষা কবচ মজবুত করতে ভিটামিন সি অপরিহার্য। সাপ্লিমেন্টের বদলে রোজকার পাতে কমলালেবু, পেয়ারা, পেঁপে বা পাতিলেবু রাখুন। এই ফলগুলো শরীরে অ্যান্টি-অক্সিডেন্টের জোগান দেয়।
আদা
আদাতে থাকা ম্যাগনেশিয়াম ও ম্যাঙ্গানিজ বিপাক প্রক্রিয়া উন্নত করে। এর অ্যান্টি-ব্যাকটিরিয়াল বৈশিষ্ট্য বুক ও গলার সংক্রমণ রোধে ম্যাজিকের মতো কাজ করে।
তেতো খাবার
শীতকালীন সংক্রমণ এড়াতে উচ্ছে, করলা, মেথি শাক বা চিরতার জল অত্যন্ত কার্যকর। তেতো খাবার শরীর থেকে টক্সিন বের করে দিতে সাহায্য করে এবং রক্ত পরিষ্কার রাখে, যা ঋতু পরিবর্তনের অসুখ মোকাবিলায় সহায়ক।
শীতের এই মরসুমে সুস্থ থাকতে ও নিজেকে চাঙ্গা রাখতে আজই আপনার খাদ্যতালিকায় এই পরিবর্তনগুলো নিয়ে আসুন। মনে রাখবেন, সঠিক পুষ্টিই প্রতিকারের চেয়ে বড় প্রতিরোধ।
