Who faces extra stress housewives vs working mothers

Who faces extra stress housewives vs working mothers

জীবনযাপন/LIFE STYLE
Spread the love


সকাল থেকে রাত পর্যন্ত বাড়ির কাজ। সন্তানের দেখভাল। দিনশেষে ক্লান্তি আর মানসিক চাপ নিয়ে ঘুমিয়ে পড়া। বহু গৃহবধূই মানেন সংসার ও সন্তানের দেখভাল আসলে ‘থ্যাংকলেস জব’। অনেকেই ভাবেন, কর্মরত মায়েদের জীবন যেন রূপকথার মতো। সন্তানের ঝক্কি দিনভর সামলাতে হয় না। কিন্তু কর্মরত মায়েদের অভিজ্ঞতা অন্য। তাঁদের মতে, জীবন যেন কাঁটার মুকুটের মতো। হাজার চাপ নিয়ে সংসার আর কর্মক্ষেত্রের শুধু ভারসাম্য রক্ষা করা। সামান্য এদিক সেদিক হলেই সব গন্ডগোল। তার ফলে দু’জনেই দিন দিন বাড়ছে মানসিক অবসাদের অন্ধকারে তলিয়ে যাচ্ছেন। এই পরিস্থিতিতেই প্রশ্ন উঠছে, কর্মরত মা নাকি গৃহবধূ মা, কারা বেশি অবসাদে ভোগেন? তা নিয়ে কী বলছেন মনোবিদরা?

কেন অবসাদে ভোগেন গৃহবধূ মায়েরা?
মনোবিদদের মতে, গৃহবধূরা একা হাতে বাড়ির যাবতীয় দায়দায়িত্ব সামলান। সন্তান মানুষ করেন। রান্না করেন। পরিজনদের যাবতীয় চাওয়া পাওয়ার খেয়াল রাখেন। অথচ তাঁর দিকে নজর দেন না কেউ। সকলের দেখভাল করতে গিয়ে নিজের শরীর স্বাস্থ্যের দিকেও খেয়াল রাখেন না গৃহবধূরা। অথচ প্রশ্ন শুনতে হয়, সারাদিন কী করো? তার ফলে দেখা যায় দিনে দিনে তাঁদের মানসিক অবসাদ বাড়ে। আর তার লক্ষ্মণ হিসাবে শরীর জুড়ে ব্যথা যন্ত্রণা অনুভব, ওজন বৃদ্ধি, অবসাদ, একঘেয়েমি ঘিরে ধরে। আর্থিক স্বাবলম্বী না হওয়ার ফলে কখনও কখনও নিজের পছন্দমতো কিছু করতে পারেন না, তার ফলে বিরক্ত হয়ে যান।

আরও পড়ুন:

কর্মরত মায়েদের অবসাদের নেপথ্য কারণ কী?
কর্মরত মায়েদের আবার চাপ একটু অন্যরকম। সংসারের পাশাপাশি অফিসের ডেডলাইনের চাপও সামাল দিতে হয় তাঁদের। অনেক সময় দু’দিকে চাপে সন্তানকে পর্যাপ্ত সময় দিতে পারেন না তাঁরা। অপরাধবোধে ভোগেন। অনেক সময় তাঁরা হাইপারটেনশন, স্থূলতা, ডায়াবেটিস, মাইগ্রেন, উদ্বেগজনিত সমস্যায় ভোগেন তাঁরা।

মনোবিদদের পরামর্শ:

  • কর্মরত মা হোন কিংবা গৃহবধূ – দু’পক্ষকেই চাপমুক্ত থাকার পরামর্শ মনোবিদদের। নইলে বড়সড় কোনও শারীরিক সমস্যা দেখা দিতে পারে। অতিরিক্ত চিন্তাভাবনায় প্রাণহানির ঝুঁকিও বাড়তে থাকে।
  • মনোবিদদের মতে, অস্বস্তি, হাত-পা ব্যথা, মাথা যন্ত্রণা, ঘুমের সমস্যা হলে সাবধান হোন। চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
  • মনোবিদরা বলছেন, মাঝে মাঝে নিজেকে সময় দিন। সবকিছু ভুলে গিয়ে চা বিরতি নিন। কোথাও ঘুরে আসুন।

মনোবিদদের মতে, সমাজের চাপে ‘ভালো’ মা হওয়ার দৌড় প্রতিযোগিতায় অংশ নেবেন না। নিজেকে ভালোবাসুন। মনে রাখবেন, তবেই সকলকে ভালো রাখা সম্ভব। নিজে ভালো না থাকলে, কাউকেই ভালো রাখা সম্ভব নয়।

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *