তৃণমূল আমল থেকে কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে বন্ধ ছাত্র সংসদ নির্বাচন। আদালত নির্দেশ দিলেও ছাত্রভোট করায়নি সেসময়ের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার। এবার পালাবদলের পর বিজেপির সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে বঙ্গে। এবার কি বাংলায় ছাত্রভোট হবে? ফের নতুন করে কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে ছাত্র সংসদ গঠিত হবে? সেই চর্চা চলছে। সেই আবহেই ছাত্রভোট নিয়ে বড় বার্তা দিলেন রাজ্যের উচ্চশিক্ষা মন্ত্রী জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়।
চলতি শিক্ষাবর্ষে ভর্তি হওয়া ৪ লক্ষাধিক নতুন ছাত্রছাত্রী নিয়মিত ক্লাস করতে শুরু করলেই এই ছাত্রভোটের প্রক্রিয়া শুরু করার কথা ভাবা হবে। এমনই জানিয়েছেন রাজ্যের উচ্চ শিক্ষামন্ত্রী। সোমবার পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় (বারাসত বিশ্ববিদ্যালয়)-এর সমাবর্তনে গিয়েছিলেন তিনি। সেখানেই সাংবাদিকদের এই বিষয়ে বার্তা দিয়েছেন মন্ত্রী। তিনি জানান, “কোভিড পরবর্তী সময়ে কলেজে শিক্ষকদের ও ক্লাসে পড়ুয়াদের ফেরানোটাই সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। ছাত্ররাই তো ভোট দেবে সংসদ নির্বাচনে। তাই আগে ওরা নিয়মিত ক্লাস করুক। পড়াশোনা করুক। তারপরই ছাত্রভোটের কথা ভাবা হবে।”
আরও পড়ুন:
গত ১৫ বছরে বহু বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন আটকে। এদিন সেই প্রসঙ্গে জগন্নাথ জানান, “রাজ্যে পালাবদলের পর ডায়মন্ড হারবার ও বারাসত বিশ্ববিদ্যালয়ে সমাবর্তন হল। বাকি বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতেও আচার্য তথা রাজ্যপাল আর এন রবির সঙ্গে কথা বলে দ্রুত সমাবর্তনের ব্যবস্থা করা হবে।” উল্লেখ্য, ৬ বছরের প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে সোমবার নিউটাউন কনভেনশন সেন্টারে অনুষ্ঠিত হল পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের পঞ্চম সমাবর্তন।
অনুষ্ঠানে জগন্নাথ ছাড়াও ছিলেন আচার্য তথা রাজ্যপাল রবীন্দ্রনারায়ণ রবি, কেন্দ্রীয় শিক্ষা দপ্তরের রাষ্টমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার। দীর্ঘদিন সমাবর্তন না হওয়ায় ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছিল বলে খবর। এই বিশেষ সমাবর্তন উৎসবে ২০২০ থেকে ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত সফল হওয়া এমফিল ও পিএইচডি ডিগ্রি প্রাপকদের ডিগ্রি দেওয়া হয়। পাশাপাশি বিভিন্ন শিক্ষাবর্ষের স্নাতকোত্তর কৃতি র্যাঙ্ক হোল্ডারদের হাতেও শংসাপত্র ও পদক তুলে দেওয়া হয়। বহু বছর পর ডিগ্রি হাতে পেয়ে উচ্ছ্বসিত শিক্ষার্থীরা।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
