আউশগ্রাম: দ্বিতীয় দফার ভোটের (WB Election 2026) সকালে রণক্ষেত্রের চেহারা নিল আউশগ্রাম বিধানসভার গেঁড়াই গ্রাম। আউশগ্রাম ২ ব্লকের অমরপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের গেঁড়াই উচ্চ বিদ্যালয়ের ৯, ১০ ও ১১ নম্বর বুথে সাধারণ ভোটারদের ওপর কেন্দ্রীয় বাহিনীর (Central Pressure) লাঠিচার্জের গুরুতর অভিযোগ উঠল। অভিযোগ, জওয়ানরা সাধারণ গ্রামবাসীর পাশাপাশি বাড়ির অন্দরমহলে ঢুকে মহিলাদের ওপরও চড়াও হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বুধবার সকাল থেকেই গেঁড়াই উচ্চ বিদ্যালয়ের বুথগুলোতে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের অতিসক্রিয়তা লক্ষ্য করা যাচ্ছিল। অভিযোগ, বেলা বাড়তেই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়। গ্রামবাসীদের দাবি, বাহিনীর জওয়ানরা বেপরোয়াভাবে লাঠিচার্জ শুরু করে। এমনকি জওয়ানরা বাড়ির স্নানঘরে ঢুকে মহিলাদের মারধর করেছে বলেও অভিযোগ উঠেছে।
সবচেয়ে চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটে ৯ নম্বর বুথে। সেখানে নির্বাচন কর্মীদের জল দেওয়ার দায়িত্বে থাকা ইনতাজ আলি ওরফে ভোলাকে ভাষা সমস্যার জেরে বেধড়ক মারধর করা হয় বলে দাবি স্থানীয়দের। গুরুতর জখম অবস্থায় তাঁকে রাস্তায় ফেলে রেখে জওয়ানরা চলে যায় বলে অভিযোগ। তৃণমূল নেতৃত্বের দাবি, আহতদের চিকিৎসার জন্য হাসপাতালেও (Hospital) যেতে দেওয়া হচ্ছে না।
এই ঘটনার পর থেকেই গোটা গেঁড়াই গ্রাম জুড়ে চরম আতঙ্ক ও উত্তেজনা বিরাজ করছে। বুথের বাইরে তৃণমূল কর্মীরা এই ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানালেও গ্রামজুড়ে থমথমে পরিবেশের মধ্যেই ভোটগ্রহণ চলছে। তবে কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে ওঠা এই সমস্ত অভিযোগ নিয়ে জেলা প্রশাসন কিংবা নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
