US-Iran Battle | ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় মার্কিন আঘাত, ড্রোন ভূপাতিত করার প্রতিশোধের দাবি

US-Iran Battle | ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় মার্কিন আঘাত, ড্রোন ভূপাতিত করার প্রতিশোধের দাবি

ব্যবসা-বাণিজ্যের /BUSINESS
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ অনলাইন ডেস্ক: ইরানের গোরুক শহর এবং কেশম দ্বীপে বড় ধরনের হামলা চালানোর দাবি করেছে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (Centcom)। মার্কিন বাহিনীর দাবি, ইরানের এই দুই অঞ্চলের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ও টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থার ওপর তারা জোরালো আঘাত হেনেছে।

মার্কিন বাহিনী এই হামলাকে ‘প্রতিশোধ এবং আত্মরক্ষা’ হিসেবে অভিহিত করেছে। তাদের দাবি, গত সপ্তাহে আন্তর্জাতিক জলসীমায় প্রহরারত আমেরিকার একটি ড্রোন ভূপাতিত করেছিল ইরান (Iran Drone Strike)। মূলত সেই ঘটনার জবাব দিতেই ইরানের এই দুটি স্থানে পালটা আক্রমণ চালানো হয়েছে। এই হামলায় ইরানের দুটি উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন ড্রোনও ধ্বংস হয়েছে বলে দাবি করেছে সেন্টকম।

তবে ইরান এই দাবি প্রত্যাখ্যান করে জানিয়েছে, আমেরিকার যে ড্রোনটি তারা ভূপাতিত করেছে, সেটি আন্তর্জাতিক জলসীমায় ছিল না; বরং ইরানের আকাশসীমা লঙ্ঘন করে নজরদারি ও অনুপ্রবেশের চেষ্টা করায় সেটিকে আঘাত করা হয়। ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) এক বিবৃতিতে জানায়, তারা আমেরিকার একটি ‘এমকিউ-১’ (MQ-1) ড্রোন ভূপাতিত করেছে।

কূটনৈতিক মহল মনে করছে, এই আক্রমণ ও পালটা আক্রমণ আসলে দুই দেশের মধ্যকার ‘চাপের খেলা’। দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধবিরতি চুক্তি নিয়ে আলোচনার সমান্তরালে দুই দেশই বার্তা দিতে চাইছে যে, তারা নিজেদের শর্ত থেকে এক চুলও নড়বে না। যেমন—মার্কিন হামলায় ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণাঙ্গ হিসাব পেশ করে তেহরান স্পষ্ট জানিয়েছে, উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ ছাড়া কোনো যুদ্ধবিরতি চুক্তি সম্ভব নয়। একই সঙ্গে ওয়াশিংটনকে ইরানকে একটি ‘ইসলামিক রিপাবলিক’ হিসেবে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দিতে হবে।

অন্যদিকে আমেরিকার দাবি, ইরানকে আন্তর্জাতিক সংস্থার কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করতে হবে যে তারা কোনো ধরনের পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির পরিকল্পনা করছে না। যদিও একাধিক মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা নিশ্চিত করেছে, ইরানের বর্তমানে এমন কোনো পরিকল্পনা নেই। তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের (Donald Trump) বক্তব্য, তিনি তাঁর পূর্বসূরিদের মতো ভুল করবেন না। আগের মার্কিন প্রেসিডেন্টরা ইরানের মৌখিক আশ্বাসে বিশ্বাস করেছিলেন। ট্রাম্প প্রশাসনের সাফ কথা—ইরান এখন পরমাণু অস্ত্র বানাচ্ছে কি না সেটা বড় কথা নয়; তারা যে ভবিষ্যতেও কখনো তা বানাবে না, সেই বিষয়ে শতভাগ নিশ্চিত হওয়াই ওয়াশিংটনের মূল লক্ষ্য।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *