US 100 P.c Tariff Russia Oil | রুশ তেল কিনলেই ১০০ শতাংশ শুল্ক! ভারত-চিনের ওপর কড়া পদক্ষেপের প্রস্তুতি ট্রাম্প প্রশাসনের

শিক্ষা
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ অনলাইন ডেস্কঃ রাশিয়ার কাছ থেকে সস্তায় জ্বালানি তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাস কেনার অপরাধে ভারত ও চিন সহ একাধিক দেশের উপর ১০০ শতাংশ (US 100 P.c Tariff Russia Oil) পর্যন্ত আমদানি শুল্ক চাপানোর পথে হাঁটল আমেরিকা। মার্কিন কংগ্রেসে ইতিমধ্যে পাশ হয়ে গিয়েছে এই সংক্রান্ত অত্যন্ত কঠোর একটি বিল। তবে অন্য দেশের বেলায় খড়্গহস্ত হলেও, নিজের দেশের পারমাণবিক শক্তির স্বার্থে রাশিয়ার ইউরেনিয়াম আমদানির ক্ষেত্রে ঠিকই রাস্তা খোলা রেখেছে ওয়াশিংটন। আমেরিকার এই দ্বিমুখী নীতি ও চরম দ্বিচারিতা নিয়ে ইতিমধ্যেই আন্তর্জাতিক মহলে তীব্র প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

রুশ তেল ও গ্যাসের ক্রেতা দেশগুলিকে শিক্ষা দিতে এবং ইউক্রেন যুদ্ধে মস্কোকে আর্থিক সহায়তা থেকে বিরত রাখতে ‘লিন্ডসে ও. গ্রাহাম স্যাংশনিং রাশিয়া অ্যান্ড ইরান অ্যাক্ট অফ ২০২৬’ নামের একটি নতুন বিল এনেছে আমেরিকা। গত মাসেই মার্কিন কংগ্রেসের উচ্চকক্ষ সেনেটে পাশ হওয়ার পর, এবার নিম্নকক্ষ হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভসেও পাশ হয়ে গেল এই বিল। এখন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই বিলে স্বাক্ষর করলেই তা আনুষ্ঠানিকভাবে আইনে পরিণত হবে। এই আইন কার্যকর হলে রাশিয়া থেকে অপরিশোধিত তেল বা গ্যাস কেনার ‘অপরাধে’ ভারত এবং চিন সহ মোট ৫টি দেশের ওপর ১০০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক চাপানোর একচ্ছত্র ক্ষমতা পেয়ে যাবেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

অন্য দেশের ওপর নিষেধাজ্ঞা ও চড়া শুল্কের খড়্গ ঝোলালেও, এই বিলেরই একটি বিশেষ ধারায় আমেরিকা নিজেদের পারমাণবিক খাতের স্বার্থ সুরক্ষিত রেখেছে। রুশ তেলের ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হলেও, মার্কিন পারমাণবিক প্রকল্পের স্বার্থে রাশিয়া থেকে স্বল্প-সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম আমদানির ক্ষেত্রে বড়সড় ছাড় রাখা হয়েছে। বিলে বলা হয়েছে, রাশিয়ার ‘রোসাটম স্টেট অ্যাটমিক এনার্জি কর্পোরেশন’ এবং তার অঙ্গসংগঠনগুলির ওপর নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকলেও, আমেরিকা-রাশিয়ার দ্বিপাক্ষিক অসামরিক পারমাণবিক সহযোগিতা চুক্তির আওতাধীন কার্যক্রম কিংবা পারমাণবিক চুল্লিতে জ্বালানি হিসেবে ব্যবহারের জন্য ইউরেনিয়াম আমদানির নির্দিষ্ট কিছু ক্ষেত্রে এই নিষেধাজ্ঞা প্রযোজ্য হবে না। তেল কেনার অপরাধে যেখানে অন্য দেশগুলির ওপর অর্থনৈতিক আক্রমণের প্রস্তুতি নিচ্ছে হোয়াইট হাউস, ঠিক সেখানেই নিজেদের পারমাণবিক চুল্লির জন্য রুশ ইউরেনিয়ামের ওপর নির্ভরতা বজায় রাখায় আমেরিকার এই নীতির তীব্র সমালোচনা শুরু হয়েছে বিশ্ব রাজনীতিতে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *