Unlawful Sand Mining | মহানন্দার বুকে মাফিয়া রাজ! সরকারের রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে অবাধে বালি পাচার, ভাঙন আতঙ্কে গ্রাম

Unlawful Sand Mining | মহানন্দার বুকে মাফিয়া রাজ! সরকারের রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে অবাধে বালি পাচার, ভাঙন আতঙ্কে গ্রাম

ব্যবসা-বাণিজ্যের /BUSINESS
Spread the love


মুরতুজ আলম, সামসী: মহানন্দার (Mahananda) জল কমতেই সক্রিয় বালি মাফিয়ারা। নতুন করে তাদের দৌরাত্ম্য শুরু হয়েছে এখন চাঁচল (Chanchal)-২ ব্লকের চন্দ্রপাড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের হোসেনপুর ও পুরাতন খানপুর এলাকায়। বর্ষাকাল বাদ দিলে কমবেশি সারাবছরই অবৈধভাবে নদীর বুক থেকে আর্থমুভার দিয়ে বালি তুলে ট্র্যাক্টরে তা পাচার (Unlawful Sand Mining) করে দেওয়া হয় বিভিন্ন জায়গায়। যথারীতি সরকারকে রাজস্ব না দিয়েই চলছে এই কারবার। কিন্তু কোনও ব্যবস্থাই প্রশাসনের তরফে নেওয়া হচ্ছে না বলে অভিযোগ।

মারাত্মক অভিযোগ হল, মাফিয়াদের দৌরাত্ম্যে সরকারি অনুমতি যাঁদের রয়েছে, তাঁরা মাটি তুলতে পারছেন না। তাঁদের বক্তব্য, সরকারি অনুমতির যাবতীয় নথি থাকা সত্ত্বেও কাজ করতে দেওয়া হচ্ছে না। তাঁদের তরফে প্রশাসনকে সমস্ত ঘটনা জানিয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপের দাবিও করা হয়েছে।

নদী এখন উত্তরবঙ্গে ‘সোনার খনি’। সর্বত্রই চলছে নদী খনন এবং বালি পাচারের অবৈধ কারবার। এই বেআইনি কারবার থেকে দূরে নয় চাঁচল-২ ব্লক। তবে এখানে মাফিয়াদের দৌরাত্ম্য এতটাই যে যাঁরা সরকারকে রাজস্ব দেন, তাঁরা ঘাট থেকে বালি তুলতে পারছেন না। বেআইনভাবে শয়ে-শয়ে ট্র্যাক্টরে বালি পাচার হওয়ায় রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার। অবৈধভাবে নদী খননের ফলে ভবিষ্যতে বড় বিপদ ঘটতে পারে বলেও আশঙ্কিত অনেকে। স্থানীয় বাসিন্দা গোলাম নবী আজাদ বলেন, ‘অবৈধভাবে বালি কাটার ফলে নদী তার নিজস্ব গতিপথ হারিয়ে ফেলছে। বর্ষার সময় ভাঙন হচ্ছে। ইতিমধ্যে অনেক বাড়িঘর, রাস্তাঘাট নদীতে চলে গিয়েছে। বহু কবরস্থান, শ্মশান, মসজিদ, স্কুল নদীগর্ভে তলিয়ে যাওয়ার মুখে দাঁড়িয়ে।’ এলাকার আরও এক বাসিন্দা আবু কালাম আজাদের অভিযোগ, ‘রাতের অন্ধকার তো বটেই, দিনের আলোতেও চলছে নদী খনন ও বালি পাচার। বেআইনি খননের ফলে নদীর নাব্যতা সর্বত্র এক থাকছে না।’ যে কারণেই চন্দ্রপাড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের গোয়ালপাড়া, বাহারাবাদ, খানপুর, হুসেনপুর, থারাইস, তেলাগাছি প্রভৃতি গ্রামের মানুষ নদীভাঙনের আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন। কিন্তু প্রশাসনের কোনও হুঁশ নেই।

চাঁচলের মহকুমা শাসক ঋত্বিক হাজরা বলছেন, ‘সরকারিভাবে বালি উত্তোলনের অনুমতি যাঁরা পেয়েছেন, শুধুমাত্র তাঁরা কাজ করতে পারবেন। এতে সরকারের রাজস্ব আসবে। কিন্তু কোনওভাবেই অবৈধভাবে নদী খনন করা যাবে না। বেআইনি এমন কাজ যারা করবে, তাদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করা হবে।’



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *