Ex-Military Chief MM Naravane Breaks Silence Amid Row Over Memoir

Ex-Military Chief MM Naravane Breaks Silence Amid Row Over Memoir

জীবনযাপন/LIFE STYLE
Spread the love


প্রাক্তন সেনাপ্রধান মনোজ মুকুন্দ নারাভানের ‘অপ্রকাশিত’ বই ঘিরে দেশজুড়ে চর্চা শুরু হয়েছে। বিতর্কের মাঝে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে প্রকাশনা সংস্থা। এবার বিষয়টি নিয়ে মুখ খুললেন খোদ প্রাক্তন সেনাপ্রধান নারাভানে। মঙ্গলবার তিনি তাঁর এক্স হ্যান্ডলে প্রকাশনা সংস্থার বিবৃতিটি শেয়ার করেছেন। লিখেছেন, ‘এটাই বইটির বর্তমান অবস্থা।’ অর্থাৎ বই বিতর্ক নিয়ে তিনি কার্যত কেন্দ্রের পাশেই দাঁড়ালেন।

২০১৯ সালের ডিসেম্বর থেকে ২০২২ সালের এপ্রিল পর্যন্ত দেশের সেনাপ্রধান ছিলেন নারাভানে। তাঁর ‘অপ্রকাশিত’ আত্মজীবনী ‘ফোর স্টারস অফ ডেস্টিনি’র কিছু অংশ সম্প্রতি প্রকাশিত হয়েছে একটি ম্যাগাজিনে। যার পর শুরু হয়েছে বিতর্ক।

আরও পড়ুন:

‘ফোর স্টারস অফ ডেস্টিনি’-এর অবৈধ প্রচার ও পরিবেশনার অভিযোগে সোমবারই এফআইআর দায়ের করেছে দিল্লি পুলিশ। এরপরই মঙ্গলবার বিষয়টি নিয়ে মুখ খোলে প্রকাশনা সংস্থা। একটি বিবৃতিতে তারা জানিয়েছে, প্রাক্তন সেনাপ্রধানের স্মৃতিকথা ‘ফোর স্টারস অফ ডেস্টিনি’ বইটির প্রকাশনার অধিকার একমাত্র তাদেরই রয়েছে। একইসঙ্গে প্রকাশনা সংস্থা স্পষ্ট করেছে যে বইটি এখনও প্রকাশের পর্যায়ে পৌঁছয়নি।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, ‘মুদ্রিত বা ডিজিটাল কোনও রূপেই বইটির কোনও কপি এখনও প্রকাশিত হয়নি। সাধারণ মানুষের জন্য এখনও বাজারে আসেনি। বর্তমানে যদি বইটির কোনও সংস্করণ বাজারে থাকে, তা সম্পূর্ণ হোক বা আংশিক, যে কোনও রূপেই হোক না কেন, তাহলে তা গ্রন্থস্বত্ব লঙ্ঘনের শামিল।’ একইসঙ্গে এবিষয়ে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ারও হুঁশিয়ারি দিয়েছে প্রকাশক সংস্থা।

প্রকাশক সংস্থার এই বিবৃতির পরই মুখ খোলেন কংগ্রেস সাংসদ তথা লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। দিল্লিতে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, “প্রাক্তন সেনাপ্রধান কিংবা বইটির প্রকাশনা সংস্থা পেঙ্গুইন কেউ একজন মিথ্যা কথা বলছেন। তবে আমার মনে হয় না নারাভানে মিথ্যা বলবেন।”

উল্লেখ্য, চিন প্রসঙ্গ তুলে গত সোমবারের পর মঙ্গলবারও বক্তৃতায় ‘বাধা’ পান কংগ্রেস সাংসদ। লোকসভায় শোরগোলে সাসপেন্ডও করা হয়েছে কংগ্রেসের আট সাংসদকে। নেপথ্যে নারাভানের ‘ফোর স্টারস অফ ডেস্টিনি’। এই বইতে অভিযোগ করা হয়েছে, ২০২০ সালে পূর্ব লাদাখে ট্যাঙ্ক নিয়ে কৈলাস রেঞ্জের দিকে এগোচ্ছিল চিনের সেনা। সেনাপ্রধান তা জানানোর পরেও নাকি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি কোনও সিদ্ধান্ত নিতে পারেননি। নারাভানের ‘অপ্রকাশিত’ বই সম্পর্কে একটি ম্যাগাজিনে প্রকাশিত নিবন্ধ থেকে রাহুল পড়া শুরু করলে স্পিকার ওম বিড়লা লোকসভা কার্যবিধির ৩৪৯ (১) ধারা স্মরণ করিয়ে তাঁকে পড়া থেকে বিরত হতে বলেন।

লোকসভায় শাসকপক্ষে প্রবল বিরোধিতার মধ্যে সংসদ চত্বরে রাহুল দাবি করেছেন, প্রাক্তন সেনাপ্রধান একটি বই লিখেছেন। বইটি প্রকাশের অনুমতি দেওয়া হচ্ছে না। সেখানে সেনাপ্রধানের দৃষ্টিভঙ্গি রয়েছে। কেন্দ্রীয় সরকার কেন সেনাপ্রধানের দৃষ্টিভঙ্গিতে ভীত?’’ জানা গিয়েছে, প্রায় দেড় বছর ধরে প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে বইটি। তাই এখনও প্রকাশিত হয়নি।

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *