Tufanganj | মূল্যবৃদ্ধিতে পাতে অর্ধেক ডিম

Tufanganj | মূল্যবৃদ্ধিতে পাতে অর্ধেক ডিম

শিক্ষা
Spread the love


গৌতম দাস, তুফানগঞ্জ: ডিমের দাম বাড়তেই পাতে পড়ছে অর্ধেক ডিম। সরকার থেকে ডিমের মূল্য ধার্য করা হয়েছে ৬ টাকা ৫০ পয়সা। কিন্তু বাজার থেকে কেনার সময় একেকটি ডিমের দাম পড়ছে কমপক্ষে ৮ টাকা ৫০ পয়সা। প্রতিটি ডিমে প্রায় ২ টাকা করে বেশি লাগায় অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের শিশু ও মায়েদের পাতে অর্ধেক ডিম পড়ছে। স্বাভাবিকভাবেই কিছুটা হলেও পুষ্টিতে ঘাটতি থেকে যাচ্ছে বলে মনে করছেন অভিভাবকরা।

তুফানগঞ্জ-১ ব্লকে ৩৬৭টি অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র রয়েছে (Tufanganj)। আগে সোমবার থেকে শনিবার পর্যন্ত সপ্তাহে তিনদিন গোটা ডিম ও বাকি তিনদিন অর্ধেক ডিম দেওয়া হত। এখন শুধু সোমবার গোটা ডিম ও বাকি পাঁচদিন অর্ধেক ডিম দেওয়া হচ্ছে। গত সোমবার এই জিনিস শুরু হয়েছে। তবে ডিমের দাম স্বাভাবিক হলে আবার আগের মতোই ডিম দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন বিভিন্ন অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের কর্মীরা।

পশ্চিমবঙ্গ অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী ও সহায়িকা সমিতির সভাপতি বিউটি খাতুন বলেন, ‘শিশু সুরক্ষা আধিকারিকের সঙ্গে কথা বলে সব অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে সরকারি দামের তুলনায় ডিমের বাজারমূল্য অনেকটাই বেশি। তাই কোনও উপায় না পেয়ে ডিম অর্ধেক করে দিতে হচ্ছে।’ যদিও তুফানগঞ্জ মহকুমার চাইল্ড ডেভেলপমেন্ট প্রোজেক্ট অফিসার (সিডিপিও) সুদীপ তামাং বলেন, ‘এরকম কোনও তথ্য আমার জানা নেই।’

দত্তপাড়া ১৩ নম্বর অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের কর্মী কল্পনা দাস আর্য বলেন, ‘আমরা গ্রাম পঞ্চায়েত, বেনেফিশিয়ারিদের সঙ্গে আলোচনা করে লিখিতভাবে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছি যে, সপ্তাহে একদিন বাদে বাকি দিনগুলি অর্ধেক ডিম দেওয়া হবে। যতদিন পর্যন্ত ডিমের দাম না কমছে, ততদিন পর্যন্ত এভাবে চলবে। বিষয়টি সিডিপিও-কে জানিয়েছিলাম। ডিমের দাম বেড়ে যাওয়ায় বাধ্য হয়ে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’ একই কথা জানান ২৯৯ নম্বর ভাগাড়িরপাড় অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের কর্মী সুস্মিতা দাস মণ্ডল। তিনি বলেন, ‘সার্বিক পুষ্টিতে ডিম ও সবজির গুরুত্ব কতটা তা আমরা ভালোভাবে জানি। বর্তমানে সবজির দামও কম নয়।’

অণিমা সাহা নামে এক অভিভাবকের মতে, ‘শিশুদের পুষ্টিতে থাবা বসানো ঠিক নয়। এর আগেও একবার ডিম দেওয়া বন্ধ করা হয়েছিল। পরিমাণের তুলনায় সবজি কম দেওয়া হয়। বিষয়টি প্রশাসনের দেখা উচিত।’ একই কথা বলেন মধুমিতা সরকার নামে আরেক মায়ের।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *