Trump-Xi Summit | ‘আমাদের ভবিষ্যৎ হবে চমৎকার’, বেজিংয়ে জিনপিংয়ের প্রশংসায় পঞ্চমুখ ডোনাল্ড ট্রাম্প

Trump-Xi Summit | ‘আমাদের ভবিষ্যৎ হবে চমৎকার’, বেজিংয়ে জিনপিংয়ের প্রশংসায় পঞ্চমুখ ডোনাল্ড ট্রাম্প

খেলাধুলা/SPORTS
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ অনলাইন ডেস্ক: বিশ্ব রাজনীতির দুই মহাশক্তিধর রাষ্ট্রপ্রধানের মেগা বৈঠক ঘিরে সরগরম আন্তর্জাতিক মহল (Trump-Xi Summit)। বেজিংয়ে (Beijing) শুরু হওয়া এই হাই-প্রোফাইল সম্মেলনে চিনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের (Xi Jinping) ভূয়সী প্রশংসা করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump)। জিনপিংকে একজন ‘মহান নেতা’ ও ‘বন্ধু’ হিসেবে সম্বোধন করে ট্রাম্প দাবি করেন, দুই দেশের ভবিষ্যৎ অত্যন্ত উজ্জ্বল এবং তাঁরা একসঙ্গে একটি চমৎকার ভবিষ্যৎ গড়ে তুলবেন।

দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের প্রাক্কালে ট্রাম্প বলেন, ‘আমাদের মধ্যে সুসম্পর্ক রয়েছে। যখনই কোনও অসুবিধা হয়েছে, আমরা সেটার সমাধান করে নিয়েছি। আমি আপনাকে ফোন করতাম এবং আপনি আমাকে ফোন করতেন। অনেকেই জানেন না, যখনই আমাদের কোনও সমস্যা হয়েছে, আমরা খুব দ্রুত তার সমাধান করে ফেলেছি।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমি সবাইকেই বলি, আপনি একজন মহান নেতা। আপনার সঙ্গে থাকাটা সম্মানের, আপনার বন্ধু হতে পারাটা সম্মানের। আমরা একসঙ্গে এক চমৎকার ভবিষ্যৎ গড়তে চলেছি।’ উল্লেখ্য, এই সফরে ট্রাম্পের সঙ্গে আমেরিকার সেরা ব্যবসায়িক প্রতিনিধিদের একটি দলও এসেছে, যা বাণিজ্যিক সম্পর্কের গুরুত্বকেই প্রতিফলিত করে। ট্রাম্প এই সম্মেলনকে ‘বিশ্বের অন্যতম শ্রেষ্ঠ সম্মেলন’ হিসেবেও অভিহিত করেছেন।

অন্যদিকে, চিনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং সরাসরি সংঘাত এড়িয়ে সহযোগিতার পথে হাঁটার আহ্বান জানিয়েছেন। বর্তমান টালমাটাল বিশ্ব পরিস্থিতির উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘গোটা বিশ্ব আমাদের এই বৈঠকের দিকে তাকিয়ে আছে। পৃথিবী এখন এমন এক পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে যা গত ১০০ বছরে দেখা যায়নি। আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি পরিবর্তনশীল ও উত্তাল। বিশ্ব এক নতুন সন্ধিক্ষণে এসে দাঁড়িয়েছে।’

দুই দেশের সম্পর্কের টানাপোড়েন এবং ‘থুসিডাইডস ট্র্যাপ’ (Thucydides entice)—অর্থাৎ এক শক্তিধর রাষ্ট্রের উত্থানে অন্য রাষ্ট্রের সঙ্গে অনিবার্য যুদ্ধ এড়ানোর ওপর জোর দেন জিনপিং। ইরান যুদ্ধ ও বৈশ্বিক অস্থিরতার আবহে তিনি প্রশ্ন তোলেন, ‘চিন ও আমেরিকা কি থুসিডাইডস ট্র্যাপ কাটিয়ে উঠে একে অপরের পরিপূরক হয়ে একটি নতুন যুগের সূচনা করতে পারবে? আমরা কি একসঙ্গে বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা এবং বিশ্বের জন্য আরও স্থিতিশীলতা দিতে পারব? আমরা কি আমাদের দুই জনগণের মঙ্গল এবং মানবতার ভবিষ্যতের স্বার্থে, একসঙ্গে একটি উজ্জ্বল ভবিষ্যত গড়ে তুলতে পারব?’ জিনপিংয়ের সংযোজন, ‘এগুলি ইতিহাস, বিশ্বের এবং জনগণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। এগুলি আমাদের সময়ের প্রশ্ন যা আপনাকে এবং আমাকে বিশ্বের প্রধান দেশগুলির প্রধান হিসেবে উত্তর দিতে হবে।’

যদিও এই সম্মেলনে জৌলুস ও প্রতীকি বন্ধুত্বের অভাব নেই, তবুও বিশ্লেষকদের মতে—বাণিজ্যিক শুল্ক, তাইওয়ান ইস্যু কিংবা ইরান যুদ্ধের মতো সংবেদনশীল বিষয়গুলোতে বড় কোনও সমঝোতা আসার সম্ভাবনা ক্ষীণ। তবে দুই নেতার এই ইতিবাচক সৌজন্য বিনিময় বিশ্ব অর্থনীতি ও ভূ-রাজনীতিতে সাময়িক স্থিতিশীলতা আনবে বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *