Trump-Iran Battle | ইরান নিয়ে ফের যুদ্ধের দামামা! দলের অন্দরে বিরোধিতা সত্ত্বেও অনড় ট্রাম্প

Trump-Iran Battle | ইরান নিয়ে ফের যুদ্ধের দামামা! দলের অন্দরে বিরোধিতা সত্ত্বেও অনড় ট্রাম্প

আন্তর্জাতিক INTERNATIONAL
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ অনলাইন ডেস্ক: পশ্চিম এশিয়ায় উত্তেজনার পারদ ফের তুঙ্গে। প্রবল অভ্যন্তরীণ বিরোধিতা এবং মার্কিন কংগ্রেসের চাপের মুখে দাঁড়িয়েও ইরান প্রসঙ্গে নিজেদের রণকৌশলে অনড় ডোনাল্ড ট্রাম্প (Trump-Iran Battle)। মার্কিন প্রেসিডেন্টের সাম্প্রতিক মনোভাব ঘিরে বিশ্বজুড়ে নতুন করে যুদ্ধ পরিস্থিতির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

সূত্রের খবর, শেষ মুহূর্তের কূটনৈতিক প্রচেষ্টা ব্যর্থ হলে ইরানে নতুন করে সামরিক হামলার পরিকল্পনা করছেন ট্রাম্প (Donald Trump)। জানা গিয়েছে, গতকাল হোয়াইট হাউসে একটি উচ্চপর্যায়ের জরুরি বৈঠক করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। সেখানে উপস্থিত ছিলেন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স, প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ, সিআইএ পরিচালক জন র‍্যাটক্লিফ এবং চিফ অফ স্টাফ সুজি ওয়াইলস-সহ শীর্ষ পর্যায়ের নিরাপত্তা কর্তারা। বৈঠকে ট্রাম্প স্পষ্ট করেছেন, ইরানের পরমাণু কর্মসূচি রুখতে প্রয়োজনে বলপ্রয়োগের পথে হাঁটতে পিছপা হবে না ওয়াশিংটন।

ট্রাম্পের এই যুদ্ধংদেহী মনোভাব নিয়ে খোদ রিপাবলিকান পার্টির অন্দরেই ক্ষোভের আঁচ পাওয়া যাচ্ছে। মার্কিন কংগ্রেসের নিম্নকক্ষে ট্রাম্পের যুদ্ধ ঘোষণার ক্ষমতা খর্ব করতে একটি প্রস্তাবও পেশ করা হয়েছে। সংবিধান অনুযায়ী, দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধের জন্য সেনেটের অনুমোদন বাধ্যতামূলক, কিন্তু ট্রাম্প কৌশলে সেই নিয়ম এড়িয়ে চলার চেষ্টা করছেন বলে অভিযোগ বিরোধীদের। পরিস্থিতি এমন জায়গায় পৌঁছেছে যে, সেনেটে ভোটাভুটি হলে ট্রাম্পকে যুদ্ধ থামানোর নির্দেশ শুনতে হতে পারে।

অন্যদিকে, ইরানও পিছু হটতে নারাজ। আমেরিকার দেওয়া শান্তি প্রস্তাব সরাসরি খারিজ করে তেহরান সাফ জানিয়ে দিয়েছে, কোনোভাবেই তারা নিজেদের ইউরেনিয়াম ভাণ্ডার আমেরিকার হাতে তুলে দেবে না। দুই দেশের এই অনমনীয় অবস্থানেই বাড়ছে নতুন করে সামরিক সংঘাতের আশঙ্কা।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, আমেরিকা ও ইরানের (US-Iran) এই সংঘাত কেবল দুই দেশের সীমারেখায় সীমাবদ্ধ নেই, বরং এর সরাসরি প্রভাব পড়ছে বিশ্বজুড়ে তেলের বাজারে। হরমুজ প্রণালী (Hormuz Strait) ঘিরে উদ্বেগের জেরে ইতিমধ্যেই জ্বালানির দাম লাগাতার বাড়ছে। মার্কিন প্রেসিডেন্টের নতুন হামলার পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে বিশ্ব অর্থনীতি যে বড় ধরনের ধাক্কা খাবে, তা বলাই বাহুল্য। এখন দেখার, অভ্যন্তরীণ চাপ উপেক্ষা করে ট্রাম্প শেষ পর্যন্ত যুদ্ধের পথেই হাঁটেন নাকি কূটনৈতিক চ্যানেলে কোনো রফাসূত্র বেরিয়ে আসে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *