Faculty Bag Weight Restrict | ব্যাগের ওজনে লাগাম, হোমওয়ার্কেও কড়াকড়ি! পড়ুয়াদের স্বস্তি দিয়ে নতুন নির্দেশিকা রাজ্যের

Faculty Bag Weight Restrict | ব্যাগের ওজনে লাগাম, হোমওয়ার্কেও কড়াকড়ি! পড়ুয়াদের স্বস্তি দিয়ে নতুন নির্দেশিকা রাজ্যের

ব্লগ/BLOG
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ অনলাইন ডেস্ক: স্কুলপড়ুয়াদের কাঁধে বইয়ের ভারী বোঝা আর নয়! পড়ুয়াদের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের কথা মাথায় রেখে স্কুল ব্যাগের ওজন নিয়ন্ত্রণে (Faculty Bag Weight Restrict) অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ করল রাজ্যের স্কুল শিক্ষা দপ্তর। জাতীয় শিক্ষা নীতি (NEP)-এর সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এই নতুন নির্দেশিকা দ্রুত বাস্তবায়নের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে রাজ্যের সমস্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে।

নতুন নিয়ম অনুযায়ী, কোনও পড়ুয়ার স্কুল ব্যাগের ওজন তার নিজের শরীরের ওজনের ১০ শতাংশের বেশি হতে পারবে না। কোন শ্রেণির পড়ুয়াদের ব্যাগের ওজন কত হবে, তার একটি সুনির্দিষ্ট তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে:

প্রাক-প্রাথমিক: কোনো ব্যাগ বহন করতে হবে না।

প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণি: সর্বোচ্চ ২ কেজি ২০০ গ্রাম।

তৃতীয় থেকে পঞ্চম শ্রেণি: আড়াই কেজি পর্যন্ত।

ষষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেণি: ২ থেকে ৩ কেজি।

অষ্টম শ্রেণি: সর্বোচ্চ ৪ কেজি।

নবম ও দশম শ্রেণি: সাড়ে ৪ কেজি।

একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি: সর্বোচ্চ ৫ কেজি।

ব্যাগ কমানোর পাশাপাশি হোমওয়ার্ক নিয়েও জারি হয়েছে কড়া নির্দেশ। প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির পড়ুয়াদের কোনও হোমওয়ার্ক দেওয়া যাবে না। তৃতীয় থেকে পঞ্চম শ্রেণির জন্য সপ্তাহে ২ ঘণ্টা এবং ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শ্রেণির জন্য দিনে ১ ঘণ্টার হোমওয়ার্ক নির্ধারিত হয়েছে। নবম ও দশম শ্রেণির ক্ষেত্রে এই সময়সীমা দিনে সর্বাধিক ২ ঘণ্টা।

এদিকে, প্রচণ্ড দাবদাহের কথা মাথায় রেখে রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে গরমের ছুটির মেয়াদও বাড়ানো হয়েছে। সরকার প্রকাশিত নতুন বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, গত ১১ মে থেকে শুরু হওয়া এই ছুটি চলবে ৩১ মে পর্যন্ত। ফলে ১ জুন থেকে ফের খুলবে রাজ্যের স্কুলগুলো (Faculty)। নতুন সরকারের এই সিদ্ধান্তে অভিভাবক মহলে স্বস্তির হাওয়া। শিক্ষা বিশেষজ্ঞদের মতে, ছোটদের পিঠের ব্যথা বা মেরুদণ্ডের সমস্যা এবং পড়াশোনার অতিরিক্ত চাপ কমাতে এই যুগান্তকারী পদক্ষেপ দীর্ঘমেয়াদে অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা রাখবে।

রাজ্যের এই নতুন শিক্ষানীতি পড়ুয়াদের শৈশবকে কিছুটা ভারমুক্ত করবে বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। এখন দেখার পালা, স্কুলগুলো কতটা দ্রুত ও সঠিকভাবে এই নির্দেশিকা কার্যকর করতে পারে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *