Trinamool Affidavit Assortment | মমতাপন্থীদের নাম ভাঙিয়ে সদস্যপদ সংগ্রহের অভিযোগ! জলপাইগুড়িতে তৃণমূলের দুই শিবিরের দ্বন্দ্বে তুঙ্গে রাজনৈতিক তরজা

খেলাধুলা/SPORTS
Spread the love


জলপাইগুড়ি: রাজ্যের পালাবদলের পর থেকেই তীব্র গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে জর্জরিত শাসক দল! এবার জলপাইগুড়িতে মমতাপন্থী তৃণমূলের নাম ভাঙিয়ে সদস্যপদের হলফনামা সংগ্রহের চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠল ঋতব্রতপন্থী তৃণমূলের বিরুদ্ধে (Trinamool Affidavit Assortment)। মমতাপন্থী শিবিরের এক আইনজীবী নেতার এই সংক্রান্ত একটি সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট ঘিরে জলপাইগুড়ির রাজনৈতিক মহলে চরম জলঘোলা শুরু হয়েছে।

রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, দলের প্রতীক ও নাম ফ্রিজ হওয়ার পর থেকেই আসল তৃণমূল কারা তা নির্ধারণ করতে তৎপর হয়েছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশমতো দুই পক্ষকেই সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণ করতে কর্মীদের কাছ থেকে হলফনামা বা এফিডেভিট সহ ফর্ম পূরণ করে সদস্যপদের নথি জমা দিতে বলা হয়েছে।

আর এই প্রক্রিয়া চলাকালীনই জলপাইগুড়িতে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক দড়িটানাটানি। মমতাপন্থী তৃণমূলের স্পষ্ট অভিযোগ, ঋতব্রতপন্থী শিবিরের সাংগঠনিক ভিত্তি দুর্বল হওয়ায় তারা সাধারণ কর্মী ও সমর্থকদের বিভ্রান্ত করতে মমতাপন্থীদের নাম ব্যবহার করে সদস্যপদের তথ্য ও নথি সংগ্রহ করছে। এই ‘চৌর্যবৃত্তি’ থেকে দলীয় কর্মীদের সতর্ক করতে শনিবার সমাজমাধ্যমে একটি বিস্ফোরক পোস্ট করেন মমতাপন্থী তৃণমূলের আইনজীবী নেতা পার্থ চৌধুরী। তাঁর ওই পোস্টে সাফ লেখা হয়েছে, “চৌর্যবৃত্তি অবলম্বন করেছে, সাবধানে থাকুন।” একই সুর শোনা গিয়েছে মমতাপন্থী তৃণমূলের জলপাইগুড়ির কোর্ডিনেটর শেখর বন্দ্যোপাধ্যায়ের গলাতেও। এমনকি এই ঘটনার নেপথ্যে বিজেপির হাত রয়েছে বলেও অভিযোগ তুলেছে এই শিবির।

মমতাপন্থী শিবিরের এই অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে তীব্র কটাক্ষ ছুড়ে দিয়েছে পদ্মশিবির। বিজেপির জেলা সহ-সভাপতি বুবাই কর বলেন, “যে দল সারা দেশে নিজেদের শক্তি বাড়াচ্ছে, তারা একটি ক্ষয়িষ্ণু দলের সদস্য সংগ্রহে নাক গলাবে—এ কথা গাধা শুনলেও হাসবে! যে নেতা এই অভিযোগ তুলেছেন, তাঁর নিজের বুথেই ভোটে জেতার কোনো যোগ্যতা নেই।”

অন্যদিকে, এই পুরো অভিযোগের বিষয়ে ঋতব্রতপন্থী তৃণমূলের জলপাইগুড়ি জেলা সভানেত্রী মহুয়া গোপের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁর তরফ থেকে কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। আদালতের লড়াই ও নির্বাচন কমিশনের নির্দেশকে কেন্দ্র করে শাসক দলের অন্দরের এই কোন্দল এখন প্রকাশ্যে চলে আসায় উত্তরবঙ্গজুড়ে রাজনৈতিক চর্চা তুঙ্গে উঠেছে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *