TMC workplace | ক্ষমতাচ্যুতির এক মাস: তালাবন্ধ উত্তরবঙ্গের তৃণমূলের জেলা পার্টি অফিস, নিঝুম সর্বত্র

TMC workplace | ক্ষমতাচ্যুতির এক মাস: তালাবন্ধ উত্তরবঙ্গের তৃণমূলের জেলা পার্টি অফিস, নিঝুম সর্বত্র

আন্তর্জাতিক INTERNATIONAL
Spread the love


উত্তরবঙ্গ ব্যুরো: ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার এক মাসের মধ্যেই ভেঙে চুরমার তৃণমূল কংগ্রেস। বুধবারই দলের সমস্ত কমিটি ভেঙে দেওয়া হয়েছে। আর তারপর থেকেই প্রায় সব জেলা পার্টি অফিসে (TMC workplace) তালা ঝুলছে। কোচবিহার থেকে মালদা, সর্বত্রই ছবিটা এক।

দার্জিলিং জেলা পার্টি অফিসে ভোটের ফল বেরোনোর পর থেকেই লোকজনের খুব একটা দেখা মিলছে না। অধিকাংশ দিনই তালা খোলা হচ্ছিল না। বুধবার দলনেত্রী সব কমিটি ভেঙে দেওয়ার পর আর কাউকে জেলা পার্টি অফিসের ধারেকাছে দেখা যায়নি। দলের সদ্য প্রাক্তন জেলা চেয়ারম্যান সঞ্জয় টিব্রুয়াল সহ জেলা নেতৃত্বের একাধিক নেতা-নেত্রীর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও সাড়া মেলেনি। কারও ফোন বেজে গিয়েছে, কারও ফোন বন্ধ ছিল।

ঠিক এক মাস আগে, ৪ মে শেষবারের মতো তালা খোলা হয়েছিল মালদা শহরে তৃণমূলের জেলা কার্যালয়ের। রায়গঞ্জেও একই দশা। সামান্য ব্যতিক্রম কেবল গঙ্গারামপুর শহরে থাকা তৃণমূলের জেলা কার্যালয়।

মালদায় তৃণমূলের জেলা পার্টি অফিসের তো অস্তিত্বই বিপন্ন। প্রথম প্রথম হতাশায় কর্মীরা কেউ আসছিলেন না। তালাবন্ধ অবস্থায় পড়ে ছিল। পার্টি অফিস চলত যেখানে সেই বাড়ি আর ভাড়া দিতে চাইছেন না মালকিন। যদিও মালদা শহরে সমান্তরালভাবে চলত একাধিক পার্টি অফিস। যেমন ইংরেজবাজার পুরসভার চেয়ারম্যান কৃষ্ণেন্দুনারায়ণ চৌধুরীর অফিসে ভিড় জমাতেন তাঁর অনুগামীরা। আশিস কুণ্ডুর অফিসেও ভিড় হত। এখন সেই অফিসগুলিতেও অনুগামীদের দেখা মেলা ভার।

রায়গঞ্জে বৃহস্পতিবার দুপুরে গিয়ে দেখা গেল তৃণমূলের জেলা কার্যালয় বন্ধ। গঙ্গারামপুর শহরের নিউ মার্কেট এলাকায় অবস্থিত তৃণমূল কংগ্রেসের দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা কার্যালয় কিন্তু পুরোপুরি বন্ধ হয়নি। নিয়ম করে খোলা হচ্ছে দরজা। তবে দলীয় কর্মী-সমর্থকদের আনাগোনা প্রায় নেই বললেই চলে।

কোচবিহার শহরে নিউটাউন রোড এলাকায় দলের জেলা কার্যালয় রয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে দেখা গেল প্রবেশপথের গ্রিলটি খোলা থাকলেও ভিতরের দরজা বন্ধ। সেখানে কাউকে দেখা যায়নি। একসময় যে জায়গা নেতা-কর্মীদের ভিড়ে গমগম করতে এখন রাস্তা দিয়ে চলার সময় সেদিকে কেউ ফিরেও তাকাচ্ছেন না। দলের জেলা সভাপতির দায়িত্ব সামলে আসা অভিজিৎ দে ভৌমিক বলছেন, ‘কার্যালয় বন্ধ থাকার কথা নয়। যে এলাকায় যাঁরা কার্যালয় দেখাশোনা করতেন এখন তাঁরাই তা করবেন।’

ভোটের ফল বেরোনোর কয়েকদিন পরেই উঠে গিয়েছে জলপাইগুড়িতে তৃণমূলের জেলা কার্যালয়। এখানেও ভাড়া বাকি থাকায় আর চুক্তি বাড়াতে রাজি হননি বাড়ির মালিক। জেলার এক নেতার হোটেলে বিকল্প ঘরের কথা বলা হলেও তা আর বাস্তবায়িত হয়নি। বুধবার জেলা কমিটি ভেঙে যাওয়ায় জেলা পার্টি অফিস আবার কোথায় হবে, তা কেউ জানেন না। এতদিন জেলা সভানেত্রী মহুয়া গোপের বাড়িতে যে দলীয় কার্যালয় ছিল, ভোটের পর থেকেই তার দরজা বন্ধ। একমাত্র কল্যাণ ভবনে পুরোনো তৃণমূলিরা এখনও সকালের দিকে আড্ডা জমাচ্ছেন। নির্বাচনে ফল বের হওয়ার পর থেকেই জনশূন্য আলিপুরদুয়ার শহরের কলেজ হল্ট এলাকায় থাকা জেলা তৃণমূল কার্যালয়।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *