This minister of bengal nadiar chand bauri nonetheless lives in a small home

This minister of bengal nadiar chand bauri nonetheless lives in a small home

জীবনযাপন/LIFE STYLE
Spread the love


রাজনীতিক মানেই প্রাসাদসম বাড়ি! একেবারে ঝাঁ চকচকে ভবন। যেন অট্টালিকা, দামি আসবাবপত্র। কিন্তু পুরুলিয়ার রঘুনাথপুর ২ ব্লকের চেলিয়ামা গ্রাম পঞ্চায়েতের সাঁওতালডিহি থানার আগুইটাড় গ্রামে একেবারে উল্টো ছবি। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর মন্ত্রিসভায় শপথ নেওয়া পাড়া বিধায়ক নদীয়ারচাঁদ বাউরির বাড়ি চেনা ছকের বাইরে। মাটি, বাঁশ, কাঠ দিয়ে তৈরি কোঠা বাড়ি। সেই সঙ্গে টালির ঘর আর একটু দালান। এখানেই একান্নবর্তী পরিবার নিয়ে চার ভাইয়ের ঘর সংসার তাঁর।

এই বিষয়ে আরও খবর

সোমবার বেলা ১১ টা নাগাদ ওই ঘরে পা রাখতেই দেখা যায় একটা উৎসবের মেজাজ। ঘরের ছেলে যে আজ মন্ত্রী। লোকভবনে শপথ নিচ্ছেন। টিভির সামনে বসে পরিবারের সদস্যরা। সামনেই টালির হেঁশেল। নাকে লাগছে রান্নার ঘ্রাণ। কলমি শাক, ভাত, রাহের ডাল, করলা ভাজা, আলু পোস্ত, সর্ষে দিয়ে চারাপোনা সেই সঙ্গে আমের চাটনি। চলছে মিষ্টি মুখ, সঙ্গে ঠান্ডা পানীয়। ৬৪ বছরের প্রতাপ বাউরি মন্ত্রীর দাদা এই বাড়ির অভিভাবক। গেরুয়া পাঞ্জাবিতে ভাইয়ের শপথ নেওয়া দেখে দাদা বলেন, “বাবা-মা আজ বেঁচে নেই। বাবা বলতেন এমন কাজ করবি যাতে পরিবারের মুখ উজ্জ্বল হয়। সব সময় মানুষের পাশে থাকবি। সেবা করবি। ভাই বাবার কথা রাখলো। বাবা থাকলে যে কত খুশি হতো।”

গেরুয়া পাঞ্জাবিতে ভাইয়ের শপথ নেওয়া দেখে দাদা বলেন, “বাবা-মা আজ বেঁচে নেই। বাবা বলতেন এমন কাজ করবি যাতে পরিবারের মুখ উজ্জ্বল হয়। সব সময় মানুষের পাশে থাকবি। সেবা করবি। ভাই বাবার কথা রাখলো। বাবা থাকলে যে কত খুশি হতো।”

টিভিতে চোখ পরিবারের।

মন্ত্রীর শিক্ষক হিসাবে চাকরি পাওয়ার আগেই তাঁর বাবা বাঁকু বাউরি মারা যান। ভজুডি কয়লা পরিশোধন কেন্দ্রের কনভেয়ার অপারেটর ছিলেন। বাবার অবর্তমানে সেজো ভাই যাতে নিজের পায়ে দাঁড়াতে পারেন সব সময় সেই চেষ্টা ছিল দাদার। চাষাবাদের কাজ করে সংসারের দায়িত্ব নিয়ে ভাইকে স্বনির্ভর করেছেন। আজ সেই ভাই বাবার কথা রেখে পরিবারের মুখ উজ্জ্বল করে লোকভবনে রাষ্ট্রমন্ত্রী হিসাবে শপথ নেন। তাঁর সঙ্গেই রয়েছেন স্ত্রী পুতুল বাউরি। দাদাকেও নিয়ে যেতে চেয়েছিলেন পাড়ার এমএলএ। কিন্তু তা আর সম্ভব হয়নি। মন্ত্রী বলেন, ”মানুষ আবার আমাকে ভোট দিয়ে জিতিয়েছেন। সেই সঙ্গে মন্ত্রী। দায়িত্ব আগের চেয়ে অনেক বেড়ে গেল।”

সায়েন্স গ্র্যাজুয়েট নদীয়ারচাঁদ বাউরি রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের কর্মী ছিলেন। গ্রাম থেকে কিছুটা দূরে পড়াডি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক। ২০১৬ সালে এই পাড়া বিধানসভাতেই তিনি প্রথম ভোট যুদ্ধে অবতীর্ণ হয়েছিলেন। সেবার হেরে গেলেও এবার জিতে পরপর দু’বার বিধায়ক। গোয়াই আর দামোদর নদের মিলনস্থলে বালির চরে জন্ম হয়েছিল তাঁর। তাই নাম নদীয়ারচাঁদ। আজ তাঁর নামে চাঁদের মতই উজ্জ্বল আগুইটাড় থেকে সাঁওতালডিহি শিল্পাঞ্চল।

এই বিষয়ে আরও খবর

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *